|
ময়মনসিংহে যৌন পল্লীর অপরাধ সাম্রাজ্যে নিয়ন্ত্রণ করে অঢেল অর্থ সম্পদের পাহাড় গড়েছেন সর্দানী লাভলী
মোঃ মাইন উদ্দিন উজ্জ্বল, ময়মনসিংহ
|
![]() ময়মনসিংহে যৌন পল্লীর অপরাধ সাম্রাজ্যে নিয়ন্ত্রণ করে অঢেল অর্থ সম্পদের পাহাড় গড়েছেন সর্দানী লাভলী তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে যৌনকর্মীদের নির্যাতন, হয়রানি, অপ্রাপ্ত বয়স্ক কিশোরীদের জোরপুর্বক দেহ ব্যবসায় বাধ্য করাসহ অবৈধ মদ বিক্রয় এবং মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ করা কিশোরী নারী বেচা-কেনার অনেক পুরোনো অভিযোগ রয়েছে। যৌন পল্লীর অপরাধ সাম্রাজ্যে বিভিন্ন অপকর্ম করে অঢেল অর্থ সম্পদের পাহাড় গড়েছেন সেই সাথে একাধিক গাড়ি বাড়ী স্বর্ণালংকারসহ স্থায়ী অস্থায়ী নামে বেনামে সম্পদ বিবরণী সরকারের দায়িত্বশীল সংস্থার গুলো অবগত আছেন কি না এ নিয়ে বিভিন্ন মহলে চলছে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা। পতিতাপল্লির পতিতা নেত্রী সর্দানী লাভলীর আয়ের সাথে সংহতি বিহীন অঢেল সম্পদের পাহাড় নগরবাসীকে হতবাক করে দিয়েছে। সুত্র মতে তার ৮ থেকে ১০টি গাড়ী এবং বাড়ী,রয়েছে। সরকারের রাজস্ব ফাকি দিয়ে প্রতি হাজারে দৈনিক ১০টাকা লভ্যাংশ পরিশোধ শর্তে কোটি টাকার সুদের দাদন ব্যবসা পরিচালনা করছেন। যৌনকর্মী লাভলীর বিভিন্ন অপরাধ কর্মকান্ডের আলোচিত ঘটনা ধামাচাপা পড়ে যাওয়ার কারণ সকল কিছু ম্যানেজ করা। একাধিক সংবাদ কর্মীর অনুসন্ধান কালে তথ্য সূত্রে উঠে এসেছে অপরাধ জগতের নিয়ন্ত্রক যৌনকর্মী পতিতা নেত্রী লাভলী কতশত কোটি টাকার মালিক তার হিসেব সরকারের দায়িত্বশীল সংস্থা গুলোরও জানা নেই এমন আলোচনা রয়েছে। দুদক, আইকর, ইনকামট্যক্সসহ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কর্মরত কর্মকর্তাদের দ্রুত তদন্ত পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দাবী জানিয়েছেন সচেতন মহল। অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, যৌনকর্মী পতিতা নেত্রী সর্দানী লাভলীর ময়নসিংহ পতিতালয়ে হিরু মিয়ার ২৫টি কক্ষ বিশিষ্ট চার তলা বাড়ীর পজিশন ক্রয় করেছেন। একাধিক দোকান ঘর ভাড়া, মাদক, নারীর দেহ ব্যবসা থেকে প্রতি মাসে পনের বিশ লক্ষ টাকা আয় হচ্ছে। নগরীর আমলাপাড়ায় রয়েছে পাঁচ তলা বাড়ী, কালীবাড়ি এলাকায় ধনাঢ্য ব্যবসায়ীর নির্মাণ করা বহুতল বাড়ীর '৫ম তলা ফ্ল্যাট' কিনে নিয়েছেন তিনি। রামকৃষ্ণ মিশন রোডে ৫ম তলা বাড়ী করে দিয়েছেন তার ব্যবসা দেখাশোনা করা কথিত ভারুয়াকে। সদর উপজেলার দাপুনিয়া কসাইবাড়ী এলাকায় ক্রয় করেছেন দুটি বাড়ী । নেত্রকোনা জেলার মদন থানা এলাকায় তার ক্রয় করা বাড়ী, ফ্লাট সহ রয়েছে ৩/৪ একর জমি। লাভলীর ৮টি ক্রয় করা মাক্রোবাস (হায়েজ) ভাড়ায় চালিত হচ্ছে, তার নিজের চলাচলের জন্য রয়েছে ক্রয় করা একটি প্রাইভেট কার। তিনি সোনালী, রুপালী, ও ইসলামী ব্যাংকে একাউন্ট পরিচালনা করেন বলে জানা গেছে। স্বর্ণের দাম উঠা করার কোন এক সময়ে তার একাধিক যৌন-সহকর্মীদের সাথে আলোচনা কালে সে নিজের মুখে বলেছে তার রয়েছে ৮কেজি ওজনের স্বর্ণালংকার। স্বর্ণ বা মূল্যবান আমানত রাখার বিনিময়ে কোটি টাকার চড়া সুদের দাদন ব্যবসা পতিতাপল্লি ছাড়াও এই নগরীতে করছেন। প্রতি হাজারে দৈনিক দশ টাকা লাভ প্রদানের শর্তে অবৈধ এই সুদের ব্যবসা চালাচ্ছেন। তার কোন সমস্যা বা অনুপস্থিতি কালে দুলালের বাড়ীর হাসনা অবৈধ ব্যবসা দেখাশোনা করে। যৌনকর্মী হাসনা ৩ (তিন)টি নতুন মেয়ে উঠিয়েছে, জানা যায় প্রতিটি নতুন মেয়ে উঠানোর জন্য তিন লক্ষ টাকা লাভলীকে দিয়ে যৌন কর্মের অনুমোদন নিতে হয়। গত ৫ মাসে এই পল্লীতে ১০টি কিশোরী বেচাকেনা হয়েছে বলে জানা গেছে। নতুন কিশোরী নারীদের নাম রেজিষ্ট্রি করতে পুলিশ ফাঁড়ীকেও মোটা অংকের টাকা দিয়ে ম্যানেজ করতে হয়। শহরের উপকন্ঠে এই ব্রোথহেলে সকল প্রকার মাদকের রয়েছে রমরমা বাণিজ্য। লাভলীর যৌন ব্যবসার জন্য তার নিজের রয়েছে ১৫টি মেয়ে এদের মধ্যে ৫ নাবালিকা মেয়ে আছে। শারিরীক ভাবে সুঠাম দেখার জন্য এদের ঔষধ খাওয়ানো হয় বলে জানা গেছে। লাভলী তার নিজের জন্য প্রতিদিন চারটি ফেনসিডিল সেবন করেন, এ ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে তিনি অভ্যস্ত হয়ে গেছেন বলে জানান। তার অবৈধ আয়ের উৎস, অপরাধ জগতের অনুসন্ধানে উঠে আসা ফিরিস্তি পর্যায়ক্রমে প্রকাশিত হবে। ভৈরব থানার মামলা নং ১২ তারিখ ৫-২-২০২৬ ধারা ৭/১০/১১ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনে পতিতা সর্দারনী লাভলীসহ তার সহযোগীর বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজু হয়। এছাড়াও এদের বিরুদ্ধে ময়মনসিংহর কোতোয়ালী থানায় একাধিক মামলা ও জিডি রয়েছে। মমলার বিষয়ে কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম এর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন এরা জামিনে আছে, ডৈরব থানার মামলার অনুসন্ধান শ্লিপের উত্তর পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
