|
সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের মৃত্যু
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
|
সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের মৃত্যু ১৯৭২ সালে সংবিধান প্রণেতাদের মধ্যে তিনি একজন।আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা, মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে বুধবার ১৩ মে, সকাল ১০টা ২০ মিনিটের দিকে তিনি মারা যান বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা নিয়াজ মোর্মেদ এলিট। তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। চব্বিশের জুলাই আন্দোলনে সরকার পতনের পর ওই বছরের ২৭ অক্টোবর রাজধানীর ভাটারা থানাধীন এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে আসা হয়। সেখানে কারাবিধি অনুযায়ী ডিভিশন পাচ্ছিলেন এই আওয়ামী লীগ নেতা। তবে নানা ধরনের রোগে আক্রান্ত ছিলেন তিনি। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তাকে একবার চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সে সময় হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তসলিম উদ্দিন বলেছিরেন, উনি প্রবীণ ব্যক্তি। উনার ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশন, ডিমেনশিয়াসহ বহুবিধ রোগ আছে। পরের বছর ২০২৫ সালের ৫ অগাস্ট রাতে বার্ধক্যজনিত কারণে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে কারাগারের হাসপাতাল থেকে তাকে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে গেল বছরের ১৪ অগাস্ট জামিনে মুক্তি পান তিনি। সাবেক এই মন্ত্রীর বিরুদ্ধে ঢাকা ও চট্টগ্রামেবেশ কয়েকটি মামলা ছিল। সর্বশেষ পল্টন থানার একটি মামলায় জামিন পেলে তাকে করাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। মোশাররফ হোসেনের জন্ম ১৯৪৩ সালের ১২ জানুয়ারি। চট্টগ্রাম-১ (মীরসরাই) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে ১৯৭৩, ১৯৮৬, ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪ এবং ২০১৮ সালে এমপি হন। ১৯৭২ সালে সংবিধান প্রণেতাদের মধ্যে তিনি একজন। আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর এই সদস্য বিভিন্ন সময়ে সরকারের গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে এমপি হন ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফের ছেলে মাহবুব রহমান রুহেল। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
