|
জয়পাড়া হাইস্কুল মাঠে পশুর হাটের প্রস্তুতি তুঙ্গে
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
![]() জয়পাড়া হাইস্কুল মাঠে পশুর হাটের প্রস্তুতি তুঙ্গে পুরোদমে চলছে প্রস্তুতির কাজ সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মাঠের চারদিকে নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি এবং পশু বাঁধার জন্য সারিবদ্ধভাবে বাঁশ দিয়ে কাঠামো তৈরি করা হচ্ছে। শ্রমিকরা নাওয়া-খাওয়া ভুলে দিনরাত কাজ করছেন যাতে নির্দিষ্ট সময়ের আগেই হাটটি সম্পূর্ণ প্রস্তুত করা যায়। হাটের ইজারাদাররা জানান, ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সুবিধার্থে এবার হাটে পর্যাপ্ত আলো, পানির ব্যবস্থা এবং বৃষ্টির কথা মাথায় রেখে বিশেষ শেড তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা উপজেলার কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থিত হওয়ায় জয়পাড়া হাটে প্রতি বছরই উপচে পড়া ভিড় থাকে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাটে জাল টাকা শনাক্তকরণ মেশিন স্থাপন এবং ক্রেতা-বিক্রেতাদের টাকা লেনদেনের নিরাপত্তার জন্য পুলিশের অস্থায়ী ক্যাম্প ও বিশেষ নিরাপত্তা চৌকি বসানোর বিষয়ে প্রশাসনের সাথে আলোচনা চলছে। এছাড়া যাতায়াত ব্যবস্থা নির্বিঘ্ন করতে স্বেচ্ছাসেবক দল নিয়োগের প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে। খামারি ও ক্রেতাদের প্রত্যাশা দোহার ও পার্শ্ববর্তী এলাকার খামারিরা জানিয়েছেন, তারা তাদের সেরা পশুগুলো এই হাটে তোলার জন্য প্রস্তুত করছেন। একজন স্থানীয় খামারি বলেন, "আমরা সারা বছর এই হাটের অপেক্ষায় থাকি। আশা করছি এবার আবহাওয়া ভালো থাকবে এবং ভালো দামে গরু বিক্রি করতে পারব।" অন্যদিকে, ক্রেতারাও আশা করছেন এবার হাটে পর্যাপ্ত পশুর সরবরাহ থাকবে এবং সাধ্যের মধ্যে পছন্দের কোরবানির পশু কিনতে পারবেন। প্রশাসনের নজরদারি উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হাটগুলোতে সরকারি স্বাস্থ্যবিধি ও নিয়মাবলি মেনে চলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পশু হাঁকানোর সময় বা খাজনা আদায়ে যাতে কোনো ধরনের অনিয়ম না হয়, সেদিকে কঠোর নজরদারি রাখা হবে। জয়পাড়া হাইস্কুল মাঠের এই পশুর হাটটি কেবল কেনাবেচার স্থান নয়, বরং দোহারবাসীর জন্য এটি কোরবানির এক অন্যরকম উৎসবের আমেজ বয়ে আনে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই হাটটি পুরোদমে জমে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
