|
মেট্রোরেলে অনুমতি ছাড়া ভিডিও ও কনটেন্ট তৈরিতে নিষেধাজ্ঞা
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() মেট্রোরেলে অনুমতি ছাড়া ভিডিও ও কনটেন্ট তৈরিতে নিষেধাজ্ঞা বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জারি করা এক বিশেষ সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তিতে এই নতুন নির্দেশনার কথা জানানো হয়। ডিএমটিসিএলের পরিচালক (প্রশাসন) এ কে এম খায়রুল আলম স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, এখন থেকে অনুমতি ব্যতীত মেট্রোরেলের স্থাপনায় যেকোনো ধরনের চিত্রধারণ দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। নতুন এই নির্দেশনার আওতায় মেট্রোরেল স্টেশন, প্ল্যাটফরম, কনকোর্স হল, প্রবেশ ও বহির্গমন পথ এবং চলন্ত ট্রেনের ভেতরে সব ধরনের ভিডিও ধারণ বা প্রচার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বিশেষ করে ইউটিউব বা ফেসবুকের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের জন্য শর্ট ভিডিও নির্মাণ, লাইভ স্ট্রিমিং এবং বাণিজ্যিক বা ব্যক্তিগত উদ্দেশ্যে ফটোগ্রাফি ও শুটিং করার ক্ষেত্রে এই নিয়ম কঠোরভাবে কার্যকর হবে। যাত্রীসাধারণের চলাচল নির্বিঘ্ন রাখা এবং রাষ্ট্রীয় এই গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এমন কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ ইঙ্গিত দিয়েছে। ডিএমটিসিএল তাদের বিজ্ঞপ্তিতে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে যে, কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতিরেকে কেউ যদি এসব কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেন, তবে তাঁর বিরুদ্ধে বিদ্যমান আইন ও নীতিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যদি বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে মেট্রোরেল এলাকায় কোনো ধরনের শুটিং বা ফটোগ্রাফি করতে চায়, তবে তাকে ‘বাণিজ্যিক স্পেস ভাড়া বা ইজারা নীতিমালা ২০২৩’ যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে নির্ধারিত ফি প্রদান করে এবং নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় আবেদন করে আগেই অনুমতি সংগ্রহ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে মেট্রোরেলের ভেতর ও স্টেশনে টিকটক বা রিলসের মতো ভিডিও তৈরির প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ যাত্রীদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময় অস্বস্তি ও অভিযোগের কথা শোনা গেছে। কর্তৃপক্ষের এই নতুন পদক্ষেপের ফলে সাধারণ যাত্রীদের ভ্রমণ আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে এবং প্ল্যাটফরমগুলোতে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। ডিএমটিসিএল এই নির্দেশনার সঠিক বাস্তবায়নে স্টেশনগুলোতে নজরদারি বৃদ্ধি এবং নিরাপত্তাকর্মীদের বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করেছে। বিকিনি পরা দুই নারীর সঙ্গে স্টিফেন হকিং, চাঞ্চল্যকর ছবি ঘিরে তোলপাড় যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ গত দুই মাসে জেফরি এপস্টেইন ঘিরে যৌন পাচার–সংক্রান্ত তদন্তের লাখ লাখ নথি প্রকাশ করেছে। এসব নথিতে বিশ্বের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নাম ও চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। এনিয়ে প্রায় প্রতিনিয়ত বিভিন্ন দেশে তোলপাড় চলছে। এবার সেই নথিতে ব্রিটিশ পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংয়ের একটি ছবি সামনে এসেছে। সেই ছবিতে দেখা যাচ্ছে, স্টিফেন হকিং একটি সান লাউঞ্জারে হেলান দিয়ে বিশ্রাম নিচ্ছেন। তার হাতে ছিল ককটেল (পানীয়) এবং তার দুই পাশেই বিকিনি পরে অবস্থান করছিলেন দুই নারী। তাদের হাতেও ছিল পানীয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবিটি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। দীর্ঘ বছর ধরে মোটর নিউরন রোগে ভোগা স্টিফেন হকিং ২০১৮ সালে ৭৬ বছর বয়সে মারা যান। বিরল এই অসুখের কারণে অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় তিনি চলৎশক্তিহীন ছিলেন। দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্টিফেনের ওই ছবিটি ২০০৬ সালে তোলা হয়েছিল। সেইসময় এপস্টেইনের অর্থায়নে আয়োজিত একটি বৈজ্ঞানিক সম্মেলনে অংশ নিতে ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জে গিয়েছিলেন স্টিফেন। সেখানে কোয়ান্টাম কসমোলজির ওপর ভাষণ দিয়েছিলেন এই বিজ্ঞানী। স্টিফেন হকিং প্রকাশিত নথির বরাতে বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দ্য টাইমস জানিয়েছে, ওই সফরে ২১ জন বিজ্ঞানী সেন্ট থমাস দ্বীপ ও এপস্টেইনের ব্যক্তিগত দ্বীপ লিটল সেন্ট জেমসে অবস্থান করেছিলেন। আয়োজনটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল পাঁচ তারকা রিটজ-কার্লটন হোটেলে। এপস্টেইন নথিতে স্টিফেন হকিংয়ের নাম শত শত বার এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নথিতে কারও নাম আসার অর্থ এই না যে তিনিও এপস্টেইনের অন্যায়ের সঙ্গে জড়িত। জীবনের শেষ গবেষণাপত্রে যা বলে গেলেন স্টিফেন হকিং!জীবনের শেষ গবেষণাপত্রে যা বলে গেলেন স্টিফেন হকিং! তবে এপস্টেইনের যৌন দাসত্বের স্বীকার হওয়া ভার্জিনিয়া জিউফ্রে অভিযোগ করেছিলেন, স্টিফেন হকিং অপ্রাপ্তবয়স্কদের সঙ্গে অর্গিতে (দলবদ্ধ যৌনতা) অংশ নিয়েছিলেন। ২০২৫ সালের এপ্রিলে আত্মহত্যা করা জিউফ্রের এই দাবিটি এখনো প্রমাণহীন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই ছবি ছাড়াও স্টিফেন হকিংকে এপস্টেইনের ক্যারিবিয়ান দ্বীপে তোলা ছবিতে দেখা গেছে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
