ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
রোববার ১৪ জুন ২০২৬ ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
চাঁপাইনবাবগঞ্জে গ্রীণভিউ স্কুলে পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত
এস এম সাখাওয়াত জামিল দোলন
প্রকাশ: Tuesday, 17 February, 2026, 11:00 AM

চাঁপাইনবাবগঞ্জে গ্রীণভিউ স্কুলে পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত

চাঁপাইনবাবগঞ্জে গ্রীণভিউ স্কুলে পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত

“বাংলার পিঠা বাংলা গান, উৎসবের রঙে রঙিন হোক সবার প্রাণ” শ্লোগানে বসন্তের আমেজে মুখরিত হয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারী) কালেক্টরেট গ্রীন ভিউ উচ্চ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নিজস্ব মাঠে এই পিঠা উৎসবের আয়োজন করে।

এ সময় বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলামের সহযোগীতায় অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) রুমানা আফরোজ ফিতা কেটে পিঠা উৎসবের উদ্বোধন করেন।

দিনব্যাপি চলা উৎসবে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও আমন্ত্রিত অতিথিদের অংশগ্রহণে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো স্কুল ক্যাম্পাস। বিভিন্ন স্টলে সাজানো হয় বাহারি পিঠা, চিতই পিঠা, ভাপা পিঠা, পাটিসাপটা, দুধপুলি, পাকানসহ নানা রকমের দেশীয় পিঠা। শিক্ষার্থীরা নিজ হাতে তৈরি পিঠা প্রদর্শন ও পরিবেশন করে সবার প্রশংসা কুড়ায়।

প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, প্রযুক্তি নির্ভর এই সময়ে নতুন প্রজন্মকে গ্রামীণ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সাথে পরিচিত করাতে বিদ্যালয়ের এমন উদ্যোগ প্রশংসনীয়। পিঠা উৎসব কেবল খাবারের আয়োজন নয়, এটি বাঙালির শেকড়ের সাথে নতুন প্রজন্মের সংযোগ স্থাপনের একটি অনন্য মাধ্যম। আর তাই এ ধরনের আয়োজন নতুন প্রজন্মের মাঝে গ্রামীণ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতি ভালোবাসা সৃষ্টি এবং সামাজিক সম্প্রীতি  জোরদার করে বলে তিনি মনে করেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে গ্রীণভিউ স্কুলে পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত

চাঁপাইনবাবগঞ্জে গ্রীণভিউ স্কুলে পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম বলেন, গ্রাম বাংলার সংস্কৃতিকে ধরে রাখতে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সে লক্ষ্যে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্বাদের পিঠা বানিয়ে হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যকে তুলে ধরতে পেরেছে। এতে অতিথি ও দর্শণার্থীরা সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে। ভবিষ্যতেও সকলের সহযোগীতায় এমন উৎসব আয়োজন করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

এদিকে বসন্ত বিলাস, বাঙালিয়ানা, পিঠা পার্বণ, পিঠা পল্লী, ঐতিহ্যের পিঠা, রসনা বিলাস, পিঠার আসর, তিতাস নদীর পাড়ে, জুনিয়র পিঠা হাউস, পিঠা ঘর, সপ্তবর্ণা, পিঠার হাড়ি আমার বাড়ি বিভিন্ন নামে স্টলগুলো নামকরণ করা হয়েছে। আর স্টলগুলোতে শোভা পায় ভাপা পিঠা, পাটিসাপটা, চিতই পিঠা, দুধপুলি, গোলাপ পিঠা, কদম পিঠা, জামাই পিঠা, টিরামিসু পিঠা, কফির পুডিং, নবাবি কাপ সেমাই, চিরুনি পিঠা, কুল চিকেন পিঠা, পাকান ও ডিম সুন্দরীসহ বিভিন্ন রকমের মজাদার পিঠা।

উৎসবে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত পরিবেশের সৃষ্টি হয়। পিঠা উৎসব যেন দিনব্যাপী ফিরিয়ে এনেছিল গ্রামীণ বাংলার চিরচেনা ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির আবহ। এই পিঠা উৎসবে অংশগ্রহণকারী ১২টি স্টলের মধ্যে সেরা ৩টি স্টলকে পুরস্কার এবং বাকি স্টলগুলোকে শান্তনা পুরস্কার প্রদান করেন অতিথিবৃন্দ।


পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status