|
পরকিয়ায় আসক্ত জামায়াত সদস্য ধরা খেল এক সন্তানের জননীর সাথে, অতঃপর বিয়ে
শেখ সেকেন্দার আলী,পাইকগাছা
|
![]() পরকিয়ায় আসক্ত জামায়াত সদস্য ধরা খেল এক সন্তানের জননীর সাথে, অতঃপর বিয়ে স্থানীয়দের অভিযোগ, বৃহস্পতিবার রাতে বাপ্পীর স্ত্রী'র ঘরে এলাকাবাসি মুস্তাকুল'কে ধরে ফেলে ঘরে তালাবদ্ধ করে রাখে। এ ঘটনা জানাজানির পর ব্যাপক জনরোষ তৈরী হলে এক পর্যায়ে বাইনবাড়ীয়া ক্যাম্প পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছায়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে পরকিয়ায় আসক্ত দু'জনকে ক্যাম্প হেফাজতে নেয়।এ ঘটনার পর স্বামী বাপ্পী শেখ তার স্ত্রী'কে তালাক দেয়। পরে স্থানীয় ইউপি সদস্য আক্তার হোসেন গাইন, আয়ুব আলী, সাবেক ইউপি সদস্য শাহাবুদ্দীনসহ অন্যান্যদের উপস্থিতি'তে শালিসী সভায় মোস্তাকুল তার প্রেমিকা এক সন্তানের জননী'কে বিয়ে করার সম্মত্তি দেয়। স্থানীয়দের অভিযোগ , হুজুর রাতে ধরা খেয়ে জন সম্মুখে হেনস্থা ও আলোচনা-সমালোচনার এক পর্যায়ে মামলা এড়াতে তড়িঘড়ি করে শনিবারে এ বিয়ে করেছেন। জানাগেছে, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যস্থতায় বিয়ে হলেও অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন ধর্মীয় বিধান মতে এ বিয়ে সম্পূর্ন অবৈধ ! এদিকে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের ঘটনায় গড়ইখালীর আলমশাহী মসজিদের ইমাম মুস্তাকুল'কে মসজিদ কমিটির অব্যাহতি ও একই সাথে মাদরাসা কর্তৃপক্ষও তাকে শোকজ করেছেন। অন্যদিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে ইউনিয়ন জামাতের দায়িত্বশীল অনেকেরই দাবি অনৈতিক কর্মকাণ্ডের ঘটনার এ মুহুর্তে মুস্তাকুল আলম'কে সংগঠন থেকে অব্যাহতি দেওয়া জরুরি। ঘটনার সত্যতা শিকার করে মাওলানা মোস্তাকুল আলম জানান, তালাকের ১দিন পরে পরিবারের সম্মতিতে বিয়ে করেছি এবং এ সময় ইউনিয়ন জামাতের আমির উপস্থিত ছিলেন। তবে,ধর্মীয় বিধান বা ইসলামী শরিয়ত মতে এ বিয়ে বৈধ কিনা জানতে চাইলে তিনি আরোও বলেন,সরকারি নিয়মে রেজিঃ বিয়ে করেছি। এ বিষয়ে গড়ইখালী ইউনিয়ন জামাতের আমীর ও শান্তা নূরুল হক দাখিল মাদরাসার সুপার মো,কামরুল ইসলাম জানান, আমি ঐ বিয়েতে উপস্থিত ছিলাম না। তিনি মাওঃ মোস্তাকুল আলম'কে শোকজ করার তথ্য দিয়ে আরোও বলেন, সে জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক কোন পদে নেই। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
