ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
রোববার ১৪ জুন ২০২৬ ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
পত্নীতলায় নজিপুর থেকে গগনপুর সড়কে গাছ কাটার অজুহাতে ১ বছরেও সংস্কার হয়নি
মামুনুর রশীদ, পত্নীতলা
প্রকাশ: Sunday, 14 June, 2026, 5:23 PM

পত্নীতলায় নজিপুর থেকে গগনপুর সড়কে গাছ কাটার অজুহাতে ১ বছরেও  সংস্কার হয়নি

পত্নীতলায় নজিপুর থেকে গগনপুর সড়কে গাছ কাটার অজুহাতে ১ বছরেও সংস্কার হয়নি

নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার নজিপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে গগনপুর পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়কটির সংস্কার কাজ টেন্ডার হওয়ার প্রায় ১ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো শুরু হয়নি।সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সমন্বয়হীনতা ও গাছ কাটার জটিলতার কারণে কাজটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে আছে বলে জানা গেছে।

 ফলে সড়কটির বেহাল অবস্থার কারণে প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এলাকার লাখো মানুষকে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নজিপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে গগনপুর পর্যন্ত সড়কটি উপজেলার অন্যতম ব্যস্ত ও গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ মাধ্যম। প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, কৃষক, ব্যবসায়ীসহ হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। এছাড়া কৃষিপণ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় মালামাল পরিবহনের ক্ষেত্রেও সড়কটির গুরুত্ব অনেক। কিন্তু দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় বর্তমানে সড়কটি প্রায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে জানা  যায়, সড়কের বিভিন্ন অংশে পিচ ও খোয়া উঠে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও ইটের খোয়া বের হয়ে এসেছে, আবার কিছু অংশে সড়ক দেবে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা। সামান্য বৃষ্টিতেই এসব গর্তে পানি জমে থাকায় যানবাহন চালকরা গর্তের গভীরতা বুঝতে পারেন না। এতে প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে।

স্থানীয় বাসিন্দা সাজেদুর রহমান বলেন, প্রায় ১ বছর আগে শুনেছিলাম রাস্তার সংস্কারের জন্য টেন্ডার হয়েছে। আমরা ভেবেছিলাম দ্রুত কাজ শুরু হবে। কিন্তু আজও কোনো কাজের চিহ্ন দেখতে পাইনি। প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।

দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের দাবি জানানো হলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে সমন্বয়ের অভাবের কারণে সাধারণ মানুষকে এর খেসারত দিতে হচ্ছে।

এ বিষয়ে  এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী মো.রফিকুল ইসলাম বলেন, সড়কটির সংস্কার কাজের জন্য টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।তবে রাস্তার দুই পাশের গাছ কাটার বিষয়টি এখনও নিষ্পত্তি হয়নি।এ বিষয়ে বন বিভাগ ও বরেন্দ্র কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার চিঠি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তাদের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে বিলম্ব হওয়ায় ঠিকাদার কাজ শুরু করতে পারছেন না।



পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status