|
তাহরিমার ৫০ কোটির চাঁদাবাজি নিয়ে সন্দেহ আম্মারের
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() তাহরিমার ৫০ কোটির চাঁদাবাজি নিয়ে সন্দেহ আম্মারের সম্প্রতি টঙ্গী পূর্ব থানার গোপালপুর টেকপাড়া এলাকার বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছেন টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি মেহেদী হাসান। এদিকে তাহরিমার চাঁদাবাজি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের জিএস সালাউদ্দিন আম্মার। এক ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, ‘এই মেয়েটার নাম তাহরিমা, এখন জেলে আছে। অভিযোগ ৫০ কোটি টাকার চাঁদাবাজি। সংখ্যাটা শুনেই সন্দেহ জাগে। ৫০ কোটি! এই দেশেই যেখানে হাজার হাজার কোটি টাকা লুট হয় কাগজে-কলমে, সেখানে একজন জুলাইয়ের রাজপথে থাকা তরুণীর বিরুদ্ধে হঠাৎ করে এমন অঙ্ক এটা কি সত্যিই বিচারিক অনুসন্ধানের ফল, নাকি ভয় দেখানোর রাজনৈতিক সংখ্যা?’ আম্মার বলেন, ‘প্রশ্ন হলো ৫০ কোটি টাকার লেনদেনের প্রমাণ কোথায়? ব্যাংক ট্রান্সফার? মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল ট্রেইল? সাক্ষী? নাকি শুধু অভিযোগ আছে এই এক লাইনের ওপর ভর করেই জেল? আরো অদ্ভুত বিষয় হলো একদিকে বলা হচ্ছে চাঁদাবাজি, অন্যদিকে পত্রিকার ভাষ্য সেনাবাহিনী প্রধানকে নিয়ে অশালীন, কুরুচিপূর্ণ ও রাষ্ট্রবিরোধী মন্তব্য। তাহলে আসল অভিযোগ কোনটা? চাঁদাবাজি না মতপ্রকাশ?’ রাকসু জিএস প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘যদি চাঁদাবাজি হয়, তাহলে রাষ্ট্রবিরোধী মন্তব্য টেনে আনার দরকার কেন? আর যদি বক্তব্যই অপরাধ হয়, তাহলে চাঁদাবাজির মতো ভয়ংকর লেবেল লাগানোর মানে কী? এটা কি আইনি প্রক্রিয়া, নাকি ক্যারেক্টার অ্যাসাসিনেশন? সবচেয়ে বিপজ্জনক জায়গাটা এখানে আজ সে জেলে, কাল আপনি, পরশু আমি। আর তখন রাষ্ট্র বলবে চাঁদাবাজ ধরা পড়েছে।’ আম্মার আরো বলেন, ‘প্রমাণ দেখানোর প্রয়োজন নেই, কারণ আমরা আগেই চুপ থাকতে শিখে গেছি। এই দেশে এখন অভিযোগই সাজা, গ্রেপ্তারই প্রমাণ আর সংবাদ শিরোনামই রায়। প্রশ্ন তোলা অপরাধ নয়, নীরবতাই অপরাধ। আজ যদি আমরা না বলি প্রমাণ দেখাও, মামলার অবস্থা কী, চার্জশিটে কী লেখা আছে, বিচার কোথায়! তাহলে কাল যখন কাউকে তুলে নেওয়া হবে লোকজন শুধু বলবে কিছু একটা করেছিল তাই তো ধরছে। এইটাই সবচেয়ে বড় রাষ্ট্রবিরোধিতা।’ |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
