|
দীঘিনালায় লাগসই প্রযুক্তির প্রয়োগ–সম্প্রসারণে সেমিনার ও প্রদর্শনী
মোঃ লোকমান হোসেন, দীঘিনালা
|
![]() দীঘিনালায় লাগসই প্রযুক্তির প্রয়োগ–সম্প্রসারণে সেমিনার ও প্রদর্শনী বুধবার (৩ ডিসেম্বর ২০২৫) সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়াম সম্মেলন কক্ষে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদের (বিসিএসআইআর) সিনিয়র সায়েন্টিফিক অফিসার ড. মো. সাদেকুল আজম, এবং সঞ্চালনা করেন দীঘিনালা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সুমন প্রামাণিক। সভায় আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন-মো. শাহাদাত হোসেন, কৃষি কর্মকর্তা, দীঘিনালা উপজেলা।শাইরিন রহমান অর্নি, অফিসার, বিসিএসআইআর।মো. মোস্তাফিজুর রহমান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার।কামরুজ্জামান সুমন, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা।ডা. তণয় তালুকদার, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা। আলোচকরা বলেন, পাহাড়ি এলাকার পরিবেশ, মানুষের জীবনযাপন ও কৃষি ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্থানীয় উদ্ভাবনগুলোকে কাজে লাগালে যেমন কৃষি উৎপাদন বাড়বে, তেমনি বাড়বে প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থান। তারা মনে করেন, লাগসই প্রযুক্তি গ্রামীণ জীবনমান পরিবর্তনের অন্যতম হাতিয়ার। প্রদর্শনীতে কৃষি, স্বাস্থ্য, পানি সংরক্ষণ, জ্বালানি দক্ষতা, কারিগরি শিক্ষাসহ বিভিন্ন খাতের ১৩টি সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান উদ্ভাবিত প্রযুক্তি উপস্থাপন করে। এসব প্রযুক্তির মধ্যে ছিল—স্বল্প ব্যয়ে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ব্যবস্থা।পরিবেশবান্ধব চুল্লি।জৈব সার উৎপাদন প্রযুক্তি। পাহাড়ি এলাকার উপযোগী চারা উৎপাদন ও সবজি বেড।স্থানীয়ভাবে তৈরি সহজ বৈজ্ঞানিক শিক্ষা সরঞ্জাম।কম খরচে স্বাস্থ্য নিরাপত্তা ডিভাইস ইত্যাদি। বক্তারা বলেন, স্থানীয় শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বাড়াতে স্কুল-কলেজ পর্যায়ে বিজ্ঞানচর্চা ও প্রযুক্তির সাথে হাতে-কলমে পরিচয় করিয়ে দেওয়া জরুরি। তারা দাবি করেন, যদি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে এমন প্রদর্শনীর সংখ্যা বাড়ানো যায়, তবে তরুণ প্রজন্ম প্রযুক্তি উদ্ভাবনে আরও আগ্রহী হবে এবং স্বনির্ভরতার পথ খুলে যাবে। সেমিনারে অংশগ্রহণকারীরা মনে করেন—লাগসই প্রযুক্তির প্রসার শুধু উন্নয়ন নয়, বরং পরিবেশবান্ধব ভবিষ্যত নির্মাণের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
