|
উজিরপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড; চা ও মুদির দোকানসহ ২ ঘর পুড়ে ছাই
এ এইচ অনিক
|
![]() উজিরপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড; চা ও মুদির দোকানসহ ২ ঘর পুড়ে ছাই স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাত আনুমানিক ১টা ৪৫ মিনিটের দিকে আঃ বারেক খন্দকারের মালিকানাধীন চা ও মুদি দোকানে হঠাৎ আগুন দেখা দেয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে দোকানের সব মালামাল পুড়ে যায়। দোকানে থাকা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, ভোগ্যপণ্য, মূল্যবান কাগজপত্র ও নগদ অর্থসহ প্রায় ৬ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। পাশের বসতঘরেও আগুন ছড়িয়ে পড়লে সেখানে থাকা একটি মোবাইল ফোন, দুটি বিদেশি কম্বল, নগদ ১০ হাজার টাকা ও আসবাবপত্র সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যায়। ঘরটিতে বারেক খন্দকারের চাচাতো বোন বসবাস করতেন। ঘটনার পর দোকান মালিক আঃ বারেক খন্দকার অভিযোগ করেন, “সম্প্রতি খেজুরিয়া গ্রামের একটি পরিবারের সঙ্গে আমাদের পারিবারিক সম্পর্ক ছিন্ন হয়। সেই সময় আমাকে দোকানসহ পুড়িয়ে মারার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল। আমি নিশ্চিত, এই আগুন সেই পক্ষের পরিকল্পিত কাজ।” তিনি আরও বলেন, ঘটনার দুই দিন আগেও একই ঘরে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা আগুন ধরানোর চেষ্টা করেছিল। দোকান্দার বারেক খন্দকার স্থানীয় মসজিদের ক্যাশিয়ার হওয়ায় দোকানে থাকা মসজিদের হিসাব-নিকাশের খাতা, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র এবং নগদ অর্থও আগুনে পুড়ে যাওয়ায় মসজিদের ব্যাপক আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে আজ সকাল ১১টায় উজিরপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। তারা ওখান থেকে পেট্রোলের খালি বোতল ও আধাপোড়া জ্বালানিসহ অগ্নিসংযোগের বেশ কিছু আলামত উদ্ধার করেছে। এতে অগ্নিকাণ্ডটি পরিকল্পিত বলে স্থানীয়দের সন্দেহ আরও বৃদ্ধি পায়। স্থানীয়রা জানান, বারেক খন্দকারের দোকানটি ছিল এলাকার অন্যতম ব্যস্ত কেনাবেচার কেন্দ্র। চা ও মুদি মাল থাকার কারণে প্রতিদিন অনেক মানুষের ভিড় থাকত। ফলে দোকানে সবসময় বেশি পরিমাণ মালামাল মজুত থাকত—এই কারণেই ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও বেশি হয়েছে। এছাড়া, পাশের ঘরে বসবাসকারী অসহায় পরিবারটিও সর্বস্ব হারিয়ে এখন চরম বিপদের মুখে। স্থানীয়দের ভাষ্য, “এটি নাশকতামূলক কাজ। অগ্নিসংযোগের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিকে দ্রুত চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানাই।” |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
