|
গলাচিপায় তরমুজ চাড়া ও ক্ষেতে পানি দিয়ে লাখ লাখ টাকার ক্ষতি সাধনের অভিযোগ
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
![]() গলাচিপায় তরমুজ চাড়া ও ক্ষেতে পানি দিয়ে লাখ লাখ টাকার ক্ষতি সাধনের অভিযোগ বৃহস্পতিবার ৪ নভেম্বর ২০২৫ উপজেলার ডাকুয়ার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সি-ডাকুয়া গ্রামে কামাল হাওলাদারের তরমুজ ক্ষেতে এ ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে কামাল হাওলাদারের ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী মোসা. ঝুমুর বেগম বাদী হয়ে, বিবাদীরা একই গ্রামের মন্নান হাওলাদারের ছেলে বেল্লাল, দেলোয়ার, আরিফ, ইমাম, মেয়ে আসমা বগম, মৃত আহসান হাওলাদারের ছেলে মন্নান হাওলাদার ও দেলোয়ার হাওলাদারের ছেলে তসলিম হাওলাদারের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিবাদীরা বুধবার দিবাগত রাতে সেচ মেশিন দিয়ে তরমুজ ক্ষেতে পানি দিয়ে ডুবিয়ে ক্ষেত নষ্ট করে দেয় ও বিষাক্ত ঔষধ প্রয়োগ করে তরমুজ চাড়া নষ্ট করে দেয়। এতে করে তাদের কয়েক লাখ টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে। এ বিষয়ে কামাল হাওলাদার জানান, মন্নান হাওলাদার তার নিজ জমি একই গ্রামের মৃত আলী আকবর খানের ছেলে মো. জহির খান এর নিকট কট কবলা হিসেবে জমি বন্ধক রাখে। সেই জমি জহির খানের কাছ থেকে এক বছরের জন্য ৬০ হাজার টাকা দিয়ে তরমুজ চাষাবাদের জন্য তিনি নিজে ক্রয় করেন। গ্রামের নিয়মানুসারে কোন জমি কট কবলা বা একসনা বন্ধক রাখা হলে বাংলা হিসাব অনুযায়ী বৈশাখ থেকে পরবর্তী চৈত্র মাস পর্যন্ত থাকবে। কিন্তু হঠাৎ করে মন্নান হাওলাদার কোন নিয়মকানুন না মেনে সেই জমি বন্ধকীমুক্ত করার জন্য তৎপরতা শুরু করে। এ বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ মিলে ৪ তারিখ সন্ধ্যায় শালিস বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার পূর্বেই রাতের আঁধারে তরমুজ ক্ষেতে পানি দিয়ে ক্ষেত নষ্ট ও তরমুজ চাড়ায় বিষপ্রয়োগ করে তার কয়েক লাখ টাকার ক্ষতি সাধন করেছে। তিনি এর বিচার দাবি করেন। উক্ত বিষয়ে মন্নান হাওলাদার এর সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার সাথে যোগাযোগ করার সম্ভবপর হয়নি। গলাচিপা থানায় অভিযোগের বিষয়ে থানা অফিসার ইনচার্জ মো. আসাদুর রহমান জানান, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
