|
উজিরপুরে অবাধে অতিথি পাখি শিকার, খোলা বাজারে প্রকাশ্যে বিক্রি, তদারকির অভাবে ক্ষোভ স্থানীয়দের
এ এইচ অনিক
|
![]() উজিরপুরে অবাধে অতিথি পাখি শিকার, খোলা বাজারে প্রকাশ্যে বিক্রি, তদারকির অভাবে ক্ষোভ স্থানীয়দের প্রতি বছর প্রচণ্ড শীত থেকে বাঁচতে হাজার হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে বেলে হাঁস, সরালি, কাইম, ডুংকোর, চ্যাগা সহ বিভিন্ন প্রজাতির অতিথি পাখি বাংলাদেশের জলাশয়ে এসে আশ্রয় নেয়। কিন্তু তাদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল এখন পরিণত হয়েছে শিকারিদের রণক্ষেত্রে। স্থানীয় সূত্র জানায়, অসাধু পাখি শিকারিরা রাতের আঁধারে ফাঁদ পেতে, বাঁশির শব্দ প্রলোভন দেখিয়ে কিংবা কখনো বিষাক্ত খাদ্য ছড়িয়ে এসব পাখি ধরে ফেলে। আগে গোপনে কেনাবেচা হলেও সাম্প্রতিক সময়ে হাঁস–মুরগির মতো খোলা বাজারেই প্রকাশ্যে ডেকে ডেকে বিক্রি করা হচ্ছে অতিথি পাখি। এ নিয়ে স্থানীয়দের প্রশ্ন— “পাখি শিকার বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কি এসব দেখেন না? দেখলে কেনো আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না?” এলাকাবাসীর এমন অভিযোগই এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। এ বিষয়ে উপজেলা বন কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির জানান, “শীতের সময় হাজার হাজার কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে অতিথি পাখি আমাদের দেশে আশ্রয় নিতে আসে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে কিছু অসাধু ব্যক্তি ফাঁদ পেতে এসব পাখি শিকার করে এবং গোপনে বাজারে বিক্রি করে থাকে। আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করি, জরিমানা ও কারাদণ্ডও দেওয়া হয়, তবুও জনবল সংকটের কারণে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হচ্ছে না। স্থানীয়দের সহযোগিতা পেলে এ অবৈধ কর্মকাণ্ড দমন করা অনেক সহজ হবে।” প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষায় বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, অতিথি পাখি নিধন শুধু পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করছে না, জীববৈচিত্র্যের ওপরও মারাত্মক হুমকি তৈরি করছে। তাই আইন প্রয়োগের পাশাপাশি জনগণের সচেতনতা বাড়ানো জরুরি। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
