|
তেল সঙ্কট : যেকোন সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে দেশের টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() তেল সঙ্কট : যেকোন সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে দেশের টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা সম্প্রতি বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে বিষয়টি তুলে ধরে বিটিএ নেতারা। তারা জানান, দেশের টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো সচল রাখতে এখনই সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিতে পারে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশের ডিজিটাল অর্থনীতির মূল ভিত্তি এই টেলিযোগাযোগ খাত। বর্তমানে সারাদেশে প্রায় ৪৫ হাজারের বেশি টেলিকম টাওয়ার রয়েছে, যেগুলো বিদ্যুৎ গ্রিডের পাশাপাশি জেনারেটরনির্ভর ব্যাকআপ ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু চলমান জ্বালানি সংকটের কারণে এসব জেনারেটর সচল রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে। ফলে যেকোনো সময় নেটওয়ার্ক বিঘ্নিত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। বিটিএ’র অন্তর্বর্তীকালীন সভাপতি এবং ইডটকো বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর সুনীল আইজ্যাক বলেন, দেশের টেলিযোগাযোগ সেবা বর্তমানে মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করতে হলে এ খাতকে জরুরি সেবার আওতায় এনে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরি। তিনি আরও বলেন, ব্যাংকিং, ই-কমার্স, আইটি খাতসহ প্রায় সব অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডই এখন ডিজিটাল সংযোগের ওপর নির্ভরশীল। সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে শুধু সাধারণ গ্রাহকই নয়, ক্ষতিগ্রস্ত হবে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি। তাই দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার বিকল্প নেই। বিটিএ’র মতে, টেলিযোগাযোগ খাতে দীর্ঘ সময় সেবা বিঘ্নিত হলে এর প্রভাব পড়বে আর্থিক লেনদেন, রপ্তানি কার্যক্রম, সরকারি সেবা ও জরুরি যোগাযোগ ব্যবস্থায়। এতে দেশে বড় ধরনের অর্থনৈতিক ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে সরকারকে দ্রুত নীতিগত সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি জ্বালানি সরবরাহে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ডিজিটাল অগ্রযাত্রা বড় ধরনের বাধার মুখে পড়তে পারে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
