ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
শুক্রবার ১ মে ২০২৬ ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩
কচুয়া মাদ্রাসায় শূন্যপদ গোপন: নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ
নতুন সময় প্রতিনিধি
প্রকাশ: Monday, 29 September, 2025, 9:05 PM

কচুয়া মাদ্রাসায় শূন্যপদ গোপন: নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ

কচুয়া মাদ্রাসায় শূন্যপদ গোপন: নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ

বাগেরহাট জেলার কচুয়া সদর উপজেলার মঘিয়া সালেহিয়া আলিম মাদ্রাসায় শিক্ষক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ষষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তিতে আরবি প্রভাষক শূন্যপদ ইচ্ছাকৃতভাবে গোপন রাখা হয়েছে, যাতে প্রতিষ্ঠান প্রধানের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি ভবিষ্যতে নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে ওই পদে নিয়োগ পেতে পারে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটি পঞ্চম গণবিজ্ঞপ্তিতে প্রভাষক (আরবি)সহ মোট ছয়টি শূন্যপদের তথ্য এনটিআরসিএতে জমা দিয়েছিল। তবে সে সময় উক্ত প্রতিষ্ঠানে প্রভাষক (আরবি) পদে কোনো প্রার্থী নির্বাচিত হননি। কিন্তু ষষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তির ই-রিকুইজিশনে প্রভাষক (আরবি) ব্যতীত অন্যান্য পদে চাহিদা প্রদান করা হয়। ফলে প্রার্থীরা আরবি প্রভাষক পদে আবেদন করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক সূত্র অভিযোগ করে বলেন, “প্রতিষ্ঠান প্রধান ইচ্ছাকৃতভাবে আরবি প্রভাষক পদটি বাদ দিয়েছেন। কারণ, তিনি নিকটাত্মীয় বা ঘনিষ্ঠ কাউকে ওই পদে নিয়োগ দিতে চান। এজন্য ষষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তিতে পদটি গোপন রাখা হয়েছে।”

ভুক্তভোগী এক প্রার্থী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে এসেছি। কিন্তু ষষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তিতে আবেদন করার সুযোগই দেওয়া হলো না। এভাবে শূন্যপদ গোপন করা হলে মেধাবী প্রার্থীরা বঞ্চিত হবেন।”

এ বিষয়ে স্থানীয় শিক্ষক সমাজও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগে স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করতে হলে এনটিআরসিএকে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করতে হবে। অনিয়ম প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।

এনটিআরসিএর এক কর্মকর্তা অনানুষ্ঠানিকভাবে জানান, “যদি কোনো প্রতিষ্ঠান ইচ্ছাকৃতভাবে শূন্যপদ গোপন করে থাকে, সেটি তদন্তসাপেক্ষে প্রমাণিত হলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

অভিযোগের বিষয়ে মাদ্রাসার প্রধানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি চাহিদা না দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে তিনি বলেন, "আমাদের এখানের আগে নিয়োগকৃত একজন সহকারী শিক্ষককে প্রভাষক পদে প্রমোশন দিয়েছি, তাই চাহিদা দেইনি।" এবিষয়ে মাদ্রাসা বোর্ড ও এনটিআরসিতে যোগাযোগ করলে তারা জানান, সহকারী শিক্ষক থেকে নিবন্ধন ব্যাতীত প্রভাষকে প্রমোশন পাওয়ার কোন সুযোগ নেই।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status