|
নেই এসিল্যান্ড, থমকে গেছে তাড়াশের ভূমি অফিসের কার্যক্রম
সাব্বির মির্জা, তাড়াশ
|
![]() নেই এসিল্যান্ড, থমকে গেছে তাড়াশের ভূমি অফিসের কার্যক্রম উপজেলা ভূমি অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত ফেব্রুয়ারি মাস থেকে এসিল্যান্ড পদটি শূন্য আছে। এতে পদের অতিরিক্ত দায়িত্ব বর্তায় ইউএনওর ওপর। চার মাসের ব্যবধানে ইউএনও পদে দুজন কর্মকর্তা বদলি হয়েছেন। এতে ভূমি অফিসের নামজারি, মিসকেসসহ নানা ধরনের কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটছে। আব্দুল আলিম নামে একজন বলেন, এক মাস মাস আগে নামজারির জন্য আবেদন করেছিলাম। কিন্তু এখনো কোনো অগ্রগতি হয়নি। এসিল্যান্ড না থাকায় এসব সেবা পেতে বিলম্ব হচ্ছে। তাড়াশ উপজেলার কয়েকজন দলিল লেখক জানান, উপজেলা ভূমি অফিসে এসিল্যান্ড না থাকায় বিভিন্ন সেবা পেতে তাদের বেগ পেতে হচ্ছে। জমি কেনা-বেচা নামজারি, বাটোয়ারা এবং খাজনা পরিশোধ ছাড়া জমি হস্তান্তর করা যায় না। এসিল্যান্ড না থাকায় এসব কাজ অনেকসময় আটকে থাকে। সগুনা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা জুবায়ের আহমেদ বলেন, কয়েকমাস ধরে এসিল্যান্ড না থাকায় নামজারি ও খাজনা খারিজের কাজে একটু সময় লাগছে। এতে সেবাগ্রহীতাদের ঠিকমতো সেবা পেতে কিছুটা দেরি হয়। এসিল্যান্ড থাকলে আমাদের কাজ করাটা সহজতর হয়। সবাই দ্রুত মিউটেশন সেবা পাবে। তাড়াশ উপজেলার নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নুসরাত জাহান বলেন, এসিল্যান্ড পদে পদায়ন করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অফিসিয়ালি জানানো হয়েছে। বর্তমানে ভূমি অফিসের সেবা কার্যক্রম যাতে ব্যাহত না হয় সেই অনুযায়ী নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। দুই-তিন দিনের মধ্যে আমার আইডি তৈরি হলে জমি সংক্রান্ত মিউটেশন সেবা চালু হবে। আশা করছি, দ্রতই জটিলতা কেটে যাবে। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, কয়েক দিন হলো তাড়াশ উপজেলায় নতুন ইউএনও যোগদান করেছেন। তাঁকে নামজারি, মিসকেসসহ অগ্রাধিকারমূলক কাজ দ্রুত নিষ্পত্তির কথা বলে দেবেন তিনি। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
