|
শাকতলী স্কুলের অভাবনীয় সাফল্য
ত্বোহা হাসান ভূঁইয়া স্বাধীন,নাঙ্গলকোট
|
![]() শাকতলী স্কুলের অভাবনীয় সাফল্য যে স্কুলে প্রায় প্রতিবছরই শতকরা ৫০/৬০ভাগ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয় সেখানে পুরো উপজেলায় তৃতীয় হওয়া অবিস্মরণীয় রেজাল্ট হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা। তার জন্য শাকতলী স্কুলের শিক্ষকরা গর্ব অহংকারে বগলদাবা করতেই পারেন।একটা দু:সময়ে অবিশ্বাস রেজাল্ট দেখে অভিভাবকরাও আনন্দে আটকানা হতে পারেন। বলতে পারেন এটা শিক্ষার্থীদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফল আর তরুন শিক্ষকদের তেজোদ্দীপ্ত ও শানিত বয়ানে ছাত্র ছাত্রীদের নয়ন মন আকর্ষণের সফল বাস্তবায়ন। ![]() শাকতলী স্কুলের অভাবনীয় সাফল্য ভৌগোলিক দিক থেকে নাঙ্গলকোটের পূর্বাঞ্চল অনেক উন্নত। যেমন নাঙ্গলকোটের মধ্যভাগের ৪/৫টা ইউনিয়নের তুলনায় বাঙ্গড্ডার ছেলেমেয়েরা বেশি মেধাবী। পাশাপাশি রায়কোট,মৌকরা,ঢালুয়া,বক্সগঞ্জের ছাত্রছাত্রীরা স্কুল প্রাইভেট বা পড়া লেখা নিয়ে অনেক সিরিয়াস এমনকি এখানকার বাবা মায়েরাও অনেক টাকা পয়সার মালিক। যেটা পশ্চিম অঞ্চলের অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে অনেক অপ্রতুল। ![]() শাকতলী স্কুলের অভাবনীয় সাফল্য বিদ্যালয়ের ভৌত অবকাঠামোগত উন্নয়নের চিত্র হিসেবে এ জনপদের মানুষ সুবিশাল সুরম্য বিল্ডিং এখনো দেখেননি যেখানে অনেক নাম সর্বস্ব স্কুলের গরু বিহীন গোয়ালের মত চোখ ধাঁধানো প্রাসাদ দেখে রীতিমত অবাক হতে হয়। ১০০ বছরের পুরাতন স্কুল হিসেবে বিশাল একটা মাঠই এখানে অনেকটা শান্তনার জায়গা আর পাঠদানের ভালো কক্ষতো রুচিশীলতা বা বিলাসিতার মতো। আশার বানী শাকতলী স্কুলের ছেলেমেয়ারা এখন বড় মানুষ হওয়ার স্বপ্ন দেখে।স্বপ্নই মানুষকে অনেক উপরে তোলে।ফলাফলের এই ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ণ থাকলে আর শিক্ষার্থীদের মনের ভিতর স্বপ্নের বুনন ঠিক মত করতে পারলে এই বিদ্যালয় একদিন নাঙ্গলকোটের সেরা প্রতিষ্ঠান শুধু নয় দেশসেরা কোন অর্জনের খাতায় নাম লেখাতে পারে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
