|
চলনবিলে বর্ষার নতুন পানিতে মাছ শিকার
সাব্বির মির্জা, তাড়াশ
|
![]() চলনবিলে বর্ষার নতুন পানিতে মাছ শিকার চলনবিল অধ্যুষিত সিরাজগঞ্জের তাড়াশে জেলে ও শৌখিন মানুষদের পাল্লা দিয়ে চলছে মাছ শিকার। উপজেলার মাগুরা বিনোদ, দিঘী সগুনা, পৌর শহরের ভাদাস, হামকুড়িয়া, উত্তর শ্যামপুর, কুন্দইলসহ চলনবিল অঞ্চলে শুরু হয়েছে মাছ ধরা। খাল-বিল ও জলাশয়গুলোতে গেলে দেখা মিলছে মাছ শিকারিদের উৎসব। বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করে মাছ শিকার করা হচ্ছে। ঝাঁকি জাল, টানা জাল, ঠেলা জাল, বেল, পেতে রাখা জাল, চাঁই, বড়শিসহ আরও নাম না জানা অনেক পদ্ধতি ফাঁদ ব্যবহার করে মাছ শিকার করা হচ্ছে। বিশেষ করে খাল-বিল এখন পানিতে টইটুম্বুর। ফলে দেশীয় মাছ মিলছে ধানের জমি ও খাল-বিলের মধ্যে। বড় থেকে ছোট সববয়সী মানুষ এখন দেশীয় মাছ ধরতে নেমেছে৷ গ্রামগুলোতে এখন মাছ ধরার ধুম লেগেছে। বড়দের সঙ্গে সঙ্গে ছোটরাও মনের আনন্দে মাছ শিকারে নেমেছে। কই, পুঁটি, টাকি, টেংরা, মলা, ঢেলা, চিংড়ি, বাইমসহ অনেক রকমের মাছ ওঠছে জালের মধ্যে। সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, অধিকাংশ এলাকায় বৃষ্টির মধ্যে বড়দের সঙ্গে সঙ্গে ছোটরাও মনের আনন্দে মাছ ধরছে। নদীতে বিভিন্ন রকমের ফাঁদ ব্যবহার করে রকমারি দেশীয় মাছ ধরতে দেখা যায়। এসব মাছের চাহিদাও বেশি। অধিকাংশ মাছ এলাকাতেই বিক্রি হয়ে যায়। বাজারে আনার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের চাহিদার শীর্ষে থাকে নতুন পানির মাছ। তাড়াশ পৌর শহরের ভাদাস এলাকার মাছ শিকারী জাহিদুল ইসলাম জানান, বৃষ্টি হলেই মাছ ধরার জন্য বের হই৷ এসময়ে প্রচুর মাছ পাওয়া যায়। শখের বসে নতুন পানির মাছ ধরি৷ সগুনা ইউনিয়নের কুন্দইল এলাকার মাছ শিকারী কাসেম আলী জানান, চলনবিলে নতুন পানিতে মাছ ধরা আনন্দের। কয়েকদিনের বৃষ্টিতে ১০-১৫ কেজি বিভিন্ন রকমের মাছ ধরছি৷ |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
