|
"দাবী আর প্রয়োজন গুরুত্ব দিচ্ছেনা কেহই " গলাচিপায় ফেরি পারাপারে জনদূর্ভোগ চরমে
মু. জিল্লুর রহমান জুয়েল, গলাচিপা (পটুয়াখালী)
|
পটুয়াখালীর জেলার রামনাবাদ নদীর উপরে প্রায়ই দের যুগ ধরেই ঘাত প্রতিঘাত পেরিয়ে জনগুরুত্বপূর্ণ রামনাবাদ ফেরি দিয়ে প্রতিদিনই' চলাচল করে আসছে পণ্য পরিবহন, আন্তঃজেলা গণপরিবহন, এ্যামবুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ সদস্যদের গাড়ি সহ শত শত বিভিন্ন প্রজাতির যান্ত্রিক যানবাহন। তবে, এ ফেরি দিয়ে পণ্যপরিবহন, গণপরিবহন এ্যামবুলেন্স পারাপার হতে হারাতে হচ্ছে মহা মূল্যবান সময়। রোগী এবং তাদের স্বজনদের আহাজারি, গাড়ি চালকদের তীব্র প্রতিবাদ করতেও দেখা যায়। তারা বলে, এ দুর্ভোগ নতুন নয়, বর্ষা মৌসুমে জনদূর্ভোগের শেষ নাই। খেয়া দিয়ে নদী পারার ঝুঁকি থাকায় বিকল্প পথ ফেরিতে আসলেও বিপর্যয় যেন লেগেই আছে। ফেরি থেকে গাড়ি নাড়ানোর কোন সুযোগ নাই। ঢাকা থেকে মুমূর্ষু রোগী নিয়ে ফেরার পথে জোয়ারের পানিতে ফেরির নামার রাস্তা ডুবে থাকায় ঘন্টার পর ঘন্টা বসে আছি এ যেন বিপদের শেষ নাই। অপর দিকে বরিশাল থেকে পণ্যপরিবহন নিয়ে গলাচিপা উপজেলায় নিয়ে এসেছি, তবে, জনগুরুত্বপূর্ণ এই ফেরিটি দীর্ঘ বছর ধরে বর্ষা মৌসুমে জনদূর্ভোগ চরমে আকারে ধারণ করে। মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থাকতে হয়। ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করতে গিয়েও বহু দূর্ঘটনার শিকার হয়েছি। শিশু কোলে নিয়ে এক অভিভাবক বলেন, শিশুটি অসুস্থ, হাসপাতালে যাওয়ার জন্য ফেরিতে চরে এসে প্রায় দুই ঘন্টা দাঁড়িয়ে আছি, কি আর বলবো? বলে কি লাভ হবে? একজন চাকুরী জিবী বলেন, কি আর বলবো? কে শোনে কার কথা! বছরের পর বছর এ দুর্ভোগ বইতে হচ্ছে, যাদের দিয়ে সমাধান হবে! তারাও অদৃশ্য ইশারায় নিরভ ভুমিকা পালন করছে। "দাবী আর প্রয়োজন গুরুত্ব দিচ্ছে না কেহই " ফেরিতে কিছু শিক্ষার্থীদের সাথে কথা হলে, তারা বলেন, স্কুল কলেজ মাদ্রাসা চলাকালীন সময়ে প্রতিদিন'ই নদী পারাপার করতে হয়, বর্ষা মৌসুমে ঝুঁকি থাকায়, ফেরি পারাপার নিরাপদ হলেও তীরে এসে আটকে থাকতে হয় বহু সময়। গলাচিপা রামনাবাদ নদী ফেরির ইজারাদার মেসার্স শিবু লাল এন্টারপ্রাইজ প্রতিষ্ঠানের এক ব্যাক্তি বলেন, আসলেই সাময়িক জনদূর্ভোগ হচ্ছে, তার জন্য আমরাও দুঃখ প্রকাশ করছি। তবে, এ জনদূর্ভোগ কমানোর জন্য ইজারাদার প্রতিষ্ঠানে পক্ষ থেকে ইতি পূর্বেই ফেরিতে উঠা নামার এপ্রোচ রাস্তাটি সংস্কারের কাজ চলছে, একটানা আবহাওয়া খারাপ হওয়ার কারনে বর্ষা মৌসুমে পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় এ জনদূর্ভোগ পহাতে হচ্ছে। তবে, আমরা দ্রুত সংস্কার করার চেষ্টা করছি।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
শফিকুল ইসলাম বেবুকে সদস্য সচিব করে কুড়িগ্রাম জেলা ক্রিড়া সংস্থার ৭ সদস্য বিশিষ্ট এডহক কমিটি গঠিত
দেশ বদলায়, মানুষ বদলায়,তবুও বদলায় না ৮০-তে পা রাখা ছাহেরা বেগমের দুঃখভাগ্য
শেরপুরে গণমাধ্যম সপ্তাহে ১৪ দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে র্যালি ও আলোচনা সভা
ফুলবাড়ীতে উন্নত ভুট্টা বীজে বাম্পার ফলন কৃষকের মুখে হাসি
