|
আদালতের নিদের্শে ইজারা স্থগিত
তেঁতুলিয়ার বাংলাবান্ধায় ইজারার দরপত্র না কিনে মামলা করলেন স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা!
মুস্তাক আহমেদ, পঞ্চগড়
|
![]() তেঁতুলিয়ার বাংলাবান্ধায় ইজারার দরপত্র না কিনে মামলা করলেন স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা! মামলার ১ নং বিবাদী , সচিব বাংলাবান্ধা ইউনিয়ন পরিষদ মো: মোস্তাফিজুর রহমান বলেন আমি শিডিউল বিক্রির সময় দিনগুলোতে পরিষদে ছিলাম না। ঐ সময় আমি পঞ্চগড় সার্কিট হাউজে প্রশিক্ষণে ছিলাম। এ সময় শিডিউল বিক্রির দায়িত্বে ছিল হিসাব সহকারী । রেজিষ্টার পর্যালোচনা করে দেখা যায় বাদী সাহিদুল ইসলাম কোন দরপত্র ক্রয় করেন নি। এবং পরিষদেও আসেন নি। বাদী অযথা হয়নারি এবং ইজারার কার্যক্রমকে অস্বাভাবিক করার উদ্দেশ্যে মামলা করেছে । এ ঘটনায় শিডিউল ক্রেতা রাশেদ প্রধান উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন মামলা কারী সাহিদুল ইসলাম পতিত সরকারের ডেভিল । সেই সাহিদুল বর্তমানে ইজারাদার । গত ১৭ বছর ধরে এই পরিষদে গোপনে ইজারা নিয়ে আওয়ামীগের ক্ষমতা ব্যবহার করে কোন প্রকার প্রচার প্রচারনা না করে নিজের ইচ্ছা মত ইজারা নিয়ে এলাকায় ত্রাসের সৃষ্টি করেছে। আজ যখন শিডিউল কেনার মত যোগ্যতাও হারিয়ে ফেলেছে তখন কোর্টে মামলা করে ইজারার কার্যক্রম কে বাধাগ্রস্থ করে পরিস্থিতি অস্বাভাবিক করতে চায় । এরা ডেভিল , এদের কে অতিস্বত্বর আইনের আওতায় এনে বিচার করতে হবে। আমরা যখন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় শিডিউল ক্রয় করে সকল নিয়মকানুন মেনে আইনি প্রক্রিয়ায় ইজারার প্রক্রিয়ায় এগিয়ে যাচ্ছি , ঠিক সেই সময় বিগত বরখাস্ত মিলন চেয়ারম্যানের পরিকল্পনায় তারই দোসর হয়ে মিথ্যা মামলা করে সরকারী কাজে বাধা প্রদান করছে। আমরা সরকারের কাছে অনুরোধ জানাই আমরা যারা শিডিউল কিনেছি তাদের শিডিউল বহাল রেখে ইজারার কার্যক্রম চলমান রাখার জন্য। গত ১৩ মে হতে ১৫ মে পর্যন্ত শিডিউল বিক্রি অবস্থায় বিবিধ পণ্য পরিবহন পারমিট ও পশু জবাই ফিস আদায় খাতে মোট ১২ টি শিডিউল বিক্রি হয়। স্থানীয়রা বলেন, বিগত সরকারের সময়ে এভাবে প্রকাশ্যে মাইকিং করে শিডিউল দরপত্র বিক্রি করার বিজ্ঞাপন কখনো দেখেনি। সরকার পতনের পর থেকে এই প্রথম বাংলাবান্ধা ইউনিয়নে প্রকাশ্যে শিডিউল দরপত্র বিক্রি করার নজির। তারপরেও কিছু কু-চক্রি একটা মহল এই সিডিউল বন্ধ করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে। অপর দিকে এই সিডিউল বন্ধ করার জন্য বাংলাবান্ধা ইউনিয়নের স্থানীয় ব্যক্তি সাহিদুল ইসলাম বাদি হয়ে পঞ্চগড় বিজ্ঞ সহকারী জজ আদালতে মামলা দায়ে করেন। তারা চায় এই সিডিউলের বিজ্ঞপ্তি যেন পুর্ণবহাল থাকে। যদি পুর্নবহাল না থাকে বৃহৎ আন্দোলনের হুশিয়ারি দেন তারা। মামলার বাদী সাহিদুল ইসলাম বলেন, এই দরপত্র বিজ্ঞপ্তির বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। কোন প্রকার প্রচার-প্রচারনা তারা করেননি ইউনিয়ন পরিষদ। আমি বর্তমান ইজারাদার হওয়াই আমাকে কোন প্রকার নোটিশ করেনি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও ইউপি সচিব। শেষ সময়ে আমি জানতে পারি বিবিধ পণ্য পরিবহনের উপর পারমিট ফিস আদায়ের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। তবে আমি সিডিউল দরপত্র কিনি নাই এমনকি শিডিউল কেনার জন্য ইউনিয়ন পরিষদে যাইনি । আদালতের মাধ্যমে আমি দরপত্র কেনার জন্য মামলা করেছি। বাংলাবান্ধা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক নবিউল কারিম সরকার বলেন, শিডিউল (দরপত্র দলিল) বিক্রিও করার উদ্দেশ্যে ওয়েব সাইডে ও নোটিশ বোর্ডে বিজ্ঞপ্তি এবং মাইকিং করা হয়েছে। নিয়মের কোন ঘাটতি নেই। আমরা কোর্টে জবাব দিতে প্রস্তুত । বিজ্ঞ সহকারী জজ তেঁতুলিয়ার নির্দেশে আমরা ইজারার কার্যক্রম স্থগিত করি। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
