|
প্রায় ৮ লাখ টাকা বকেয়া বেতনের দাবীতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ শ্রমিকদের
ফাহিম ফরহাদ, গাজীপুর
|
![]() প্রায় ৮ লাখ টাকা বকেয়া বেতনের দাবীতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ শ্রমিকদের এসময় শ্রমিকরা ৩০ মিনিট অবরোধ করে রাখলে সড়কের উভয় পাশে কয়েক কিলোমিটার দেখা দেয় তীব্র যানজট। এসময় ঘড়মুখো মানুষ গন্তব্যে রওয়ানা হন পায়ে হেঁটে। শ্রমিকদের মধ্যে মানিক, মামুন, কাউসার, জাকির, লিজা, তানজিলা ও রহিমা জানায়, তারা ওই কারাখানায় কন্ট্রাকটরের মাধ্যমে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে কাজ শুরু করেন গত সেপ্টেম্বর মাসে। তবে গত দুই মাসের বেতন বকেয়া থাকায় কয়েকদফায় বেতন পরিশোধের আশ্বাস দিয়েও পরিশোধ করেননি কর্তৃপক্ষ। আজ পঞ্চমবারের মত বকেয়া পরিশোধ না করায় সন্ধ্যায় তারা কারখানায় প্রবেশ করতে গীয়ে বাধার সম্মূখিন হন। পরে প্রবেশ করে বেতন চাইতে গেলে কর্তৃপক্ষ সদোত্তর না দেয়ায় মহাসড়কে বিক্ষোভ শুরু করে অবরোধ করেন ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক। কন্ট্রাকটর জাহিদুল ইসলাম বলেন, গত ২মাসের বকেয়া ৭লক্ষ ৮৩হাজার ৯০০ টাকা পাওনা তিনি ও শ্রমিকরা। আজ পঞ্চমবারের মতো কর্তৃপক্ষের বেঁধে দেয়া সময়ে বকেয়া পাওনা বুঝে পেতে কারখানায় যান শ্রমিকদের নিয়ে। তবে পাওনা পরিশোধে কর্তৃপক্ষ কোন সদোত্তর তিতে না পারায় বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা সড়কে অবরোধ সৃষ্টি করে। এ বিষয়ে কাখানা প্রজেক্ট মেনেজার নবী হোসেন বলেন, কারখানা ব্যাবস্থাপনা পরিচালক মীর নজরুল ইসলামের বেঁধে দেয়া আগামী ৩০ডিসেম্বর বকেয়া পরিশোধের আশ্বাসে ৩০ মিনিট পর সড়কে অবরোধ তুলে নেয় শ্রমিকরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে জিএমপি গাছা থানা পুলিশ ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ এসে যৌথ প্রচেষ্টায় শ্রমিকদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে দেন। পরে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মুঠোফোনে জিএমপি ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ-২ এর পরিদর্শক কৃপা সিন্ধু বালা জানান কর্মীরা বেতন পাবে কন্ট্রাকটরের কাছে, কনট্রাকটরকে কিছু টাকা দিয়েছে কারখানা কর্তৃপক্ষ। তিনি জানান ওই টাকা শ্রমিকদের দেননি কনট্রাকটর জাহিদ। বাকি পাওনার জন্যে সড়ক ২০মিনিট অবরোধ করে রাখে শ্রমিকরা। পরে আগামী ৩০ডিসেম্বর বকেয়া বেতন পাওনার আশ্বাসে সড়কে অবরোধ প্রত্যাহার করেন শ্রমিকরা। তিনি জানান বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতী ও যানচলাচল স্বাভাবিক রয়েছে ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কে।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
