|
চন্দনাইশে প্রাথমিক চিকিৎসকদের নন গ্যাজেটেট চিকিৎসক হিসেবে স্বীকৃতি সহ ৫ দাবীতে সম্মেলন
জাবের বিন রহমান আরজু,চন্দনাইশ
|
![]() চন্দনাইশে প্রাথমিক চিকিৎসকদের নন গ্যাজেটেট চিকিৎসক হিসেবে স্বীকৃতি সহ ৫ দাবীতে সম্মেলন সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চন্দনাইশ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার জাফর আলী হিরু, প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চন্দনাইশ উপজেলা মেডিকেল অফিসার ডাঃ শেখ সাদী, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ ফার্মাসিট ও পল্লী চিকিৎসক সংগঠন কক্সবাজারের সভাপতি ডি আর এম এস কুতুবী, সাধারণ সম্পাদক জামাল এইচ হেলালী, ন্যাশনাল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের এম.ডি কাজী শাহেদ নুর, সাংঙ্গু ল্যাব ডায়াগনস্টিক সেন্টারের এম.ডি মোহাম্মদ ইউছুপ, সেইফ হেলথ ডায়াগনস্টিক সেন্টারের এম.ডি রুপন বিশ্বাস, শেভরন ডায়াগনস্টিক সেন্টার দোহাজারী শাখার এম.ডি গনেশ দে, জনসেবা হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের এ.এম.ডি মোঃ আবদুর রহিম, গ্রীণ হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ম্যানেজার পিকলু দে। অন্যন্যাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, চাগাচর খন্দকার ফাউন্ডেশনের পরিচালক বোরহান রব্বানী, পল্লী চিকিৎসক যথাক্রমে, অরুণ কান্তি দাশ, অজিত দেব, সন্তোষ দেব, সিরাজুল ইসলাম, কে এম জসিম ফারুকী, জামাল উদ্দিন, সুকুমার চৌধুরী, সাধন রুদ্র, মোঃ তারেক, কামাল উদ্দিন, আবুল কাশেম, দেবাশীষ প্রমূখ। এ সময় বক্তারা বলেন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় অনেক মুক্তিযোদ্ধাদের পল্লী চিকিৎসকরাই সেবা প্রদান করেছিলেন। সরকারের কাছে দেশের প্রাচীনতম গ্রামীন চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত প্রাথমিক চিকিৎসকদের সরকারি স্বীকৃতি দেওয়া, প্রাথমিক চিকিৎসকদের জ্ঞান বৃদ্ধির জন্য রিপ্রেসার্স কোর্স চালু করা, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্থাপিত কমিউনিটি ক্লিনিকে অন্তত একজন করে পল্লী চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া সহ ২০১০ সালের স্বাস্থনীতির আওতায় প্রাথমিক চিকিৎসকদের নন গ্যাজেটেট চিকিৎসক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া জোর দাবী জানাই। পরে পল্লী চিকিৎসক সুনীল কান্তি ভট্টাচার্য্য কে সভাপতি ও এম নোমান রেজভী কে সাধারণ সম্পাদক করে ২৫ সদস্য বিশিষ্ট ২০২৪-২৫ সালের জন্য নতুন কমিটি ঘোষণা করেন।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
