|
সরকারি কর্মকর্তাকে পেটানোর ঘটনা ৫০ হাজারে দফারফা
মোঃ কাওছার আহমেদ ,বাউফল
|
![]() সরকারি কর্মকর্তাকে পেটানোর ঘটনা ৫০ হাজারে দফারফা উপজেলা প্রশাসনের নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র জানায়, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোশারেফ হোসেন খান ও নাজিরপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ইব্রাহিম ফারুকের মাধ্যমে অভিযুক্ত চেয়ারম্যান শাহিন হাওলাদার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার উপস্থিতিতে চিকিৎসা খরচ বাবদ ৫০ হাজার টাকা দিয়ে বিষয়টি দফারফা করেন। এ বিষয়ে আনছার কোনো মামলা করবেন না উল্লেখ করে দফারফায় সিদ্ধান্ত হয়। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ইউপি চেয়ারম্যান শাহিন হাওলাদার বলেন, আমি আনসারকে মারধর করিনি তাই দফারফার কেনো প্রশ্নই আসে না। ৫০ হাজার টাকায় দফারফার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এমন কোনো বিষয় আমার জানা নেই। এদিকে দফারফার বিষয় জানতে চাইলে ভুক্তভোগী উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মো. আনছার উদ্দিন বলেন, তারা আমাদের উপপরিচালককে (ডিডি) ফোন দিয়েছিলেন। শুনেছি জেলা প্রশাসকসহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ডিডি বিষয়টা সমাধান করার দায়িত্ব দিয়েছেন। তারা বিষয়টা সমাধান করছেন। আমি তো ডিপার্টমেন্টে চাকরি করি, একা মামলা করে তার কিছুই করতে পারব না। ৫০ হাজার টাকার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমিও শুনেছি, আমাকে ইউএনও স্যার ফোন দিয়ে বলেছেন। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. বশির গাজী বলেন, উপজেলা প্রশাসন বিষয়টা নিয়ে মামলা করতে চেয়েছে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তা নিজেই মামলা করতে আগ্রহী নয়। মামলা করতে তার বিভাগীয় ডিডির অনুমতি নিতে হবে, এসব নানা কারণে তিনি মামলা করেননি। তিনি আরও বলেন, চেয়ারম্যান শাহিন হাওলাদার তাকে মারধরের বিষয়টি স্বীকার করেছেন। টাকার বিনিময়ে দফারফার বিষয়ে আমার জানা নেই। উল্লেখ্য, তিনি গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, ২০২০ সালের একটি মামলা তুলে নেওয়ার জন্য কনকদিয়া ইউনিয়নের স্যার সলিমুল্লাহ স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে গত রোববার রাতে তাকে পিটিয়ে আহত করেন চেয়ারম্যান শাহিন হাওলাদার। এ ছাড়াও মারধরের বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছিলেন ঘটনার একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
