পঞ্চম দিনের মতো ফুলবাড়িয়া এলাকার নগর ও সিটি প্লাজায় অভিযানে নামে দক্ষিণ সিটি। বহুতল ভবন ভাঙার জন্য যোগ করা হয় বিআইডব্লিউটিএ’র বিশাল এক্সাভেটর মেশিন। গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় নকশা বহির্ভুতভাবে গড়ে ওঠা দুই মার্কেটের পাঁচতলা দুটি ভবনের বর্ধিতাংশ।
এর আগে ভাঙা পড়া স্তূপের পাশে রাস্তা দখল করে দোকান বসিয়েছিলেন ব্যবসায়ীরা। অভিযানে শুরু আগেই রাস্তা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় তাদের।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, কাগজপত্র থাকার পরও বিনা নোটিশে ভাঙা হচ্ছে দোকান। এ অবস্থায় পুনর্বাসনের দাবি জানান তারা।
এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘আমি ১২ লাখ দিয়েছি আমার দোকানের জন্য। এখানের সিটি কর্পোরেশনের লোক এবং আর এই দোকান মালিকের কমিটির লোকজনসহ আমার কাছ থেকে ১২ লাখ টাকা নিয়েছে। আমাকে দোকান বৈধ বলে কাগজপত্রও দেওয়া হয়েছে।’
সিটি করপোরেশন বলছে, নকশার বাইরে থাকা অংশ উদ্ধার করে তা পার্কিং, ফায়ার ডিস্ট্রিংগুইশার, জরুরি বহির্গমন সহ অন্যান্য কাজ করা হবে।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইরফান উদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘প্রাথমিক সিদ্ধান্ত মোতাবেক উচ্ছেদ অভিযান বাস্তবায়ন করার পর ওনাদের কাগজপত্রের বৈধতা যাচাই-বাচাই করে যদি মেয়র মহোদয় সিদ্ধান্ত নেন পুনর্বাসনের ওইটা পরবর্তী প্রকল্প, পরবর্তী চিন্তা-ভাবনা। এবং মার্কেটের সুরক্ষার জন্য আমরা জায়গাটা একেবারে স্থাপনা যেমন নকশা করা ছিল ওই নকশাই ফিরে আনছি। উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে মার্কেট এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।