ম্যাচের চতুর্থ মিনিটেই লিড নেয় ওয়েস্ট ব্রুম। ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার ম্যাথিউস পেরেইরার এসিস্টে কোনাকুনি শটে বল জালে জড়ান ২৫ বছর বয়সী ইংলিশ ফরোয়ার্ড ক্যালাম রবিনসন। ম্যাচের ২৫ মিনিটে ফের চেলসি শিবিরে আঘাত হানেন রবিনসন। থিয়াগো সিলভার বোকামোতে বল পেয়ে তা জালে জড়াতে মোটেই ভুল করেননি রবিনসন।
সবাই যখন চেলসির গোল শোধের দিকে তাকিয়েছিল ঠিক, তখনই আরও একটি গোল হজম করেন ব্লুজরা।
ম্যাচের ২৭ মিনিটের মাথায় কর্নার থেকে হেড করেন ডারনেল ফুরলং। আর সেই বলকে গোলে পরিণত করেন ব্রুমের সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার বার্টলি।
৩-০ ব্যবধানে হাসিমুখে বিরতিতে যায় ওয়েস ব্রুম।
দ্বিতীয়ার্ধে এটিই দেখার অপেক্ষা ছিল পরাজয় এড়াতে পারে কিনা চেলসি। কিংবা ব্যবধান কতটা কমাতে পারে তারা।
৫৫ মিনিটের সময় সমর্থকদের মুখে প্রথম হাসি ফোটান ম্যাসন মাউন্ট। ৭০ মিনিটের মাথায় দ্বিতীয় গোলটি করেন ক্যালাম হাডসন। স্কোরলাইনে তখন ৩-২। হাতে মাত্র ২০ মিনিট। জিততে করতে হতো দুই গোল আর হার এড়াতে অন্তত একটি।
প্রথমটি করতে না পারলেও অতিরিক্ত যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে ট্যামি আব্রাহামের গোলে অবশেষে সমতা ফেরে চেলসি।
৩-৩ ফলে পুচকে ওয়েস্ট ব্রুমের কাছে পয়েন্ট ভাগাভাগিতে শামিল হতে হয় তাদের।