ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
মঙ্গলবার ২৬ মে ২০২৬ ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শিশু সায়মা হত্যা মামলার রায় আজ
নতুন সময় প্রতিবেদক
প্রকাশ: Monday, 9 March, 2020, 10:08 AM
সর্বশেষ আপডেট: Monday, 9 March, 2020, 10:43 AM

শিশু সায়মা হত্যা মামলার রায় আজ

শিশু সায়মা হত্যা মামলার রায় আজ

রাজধানীর ওয়ারীতে সিলভারডেল স্কুলের নার্সারির ছাত্রী সামিয়া আফরিন সায়মা ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় করা মামলার রায় ঘোষণা করা হবে আজ সোমবার (৯ মার্চ)।

গত বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক কাজী আবদুল হান্নান এ তারিখ ধার্য করেন। ওইদিন যুক্তিতর্ক শুনানির দিন ধার্য ছিল। আসামি ও রাষ্ট্রপক্ষের শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল রায়ের তারিখ ধার্য করেন। একমাত্র আসামি হারুন অর রশিদের উপস্থিতিতে যুক্তিতর্ক শুনানি হয়।

এর আগে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি আসামি আত্মপক্ষ সমর্থনের সময় নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন। শুনানির দিনও আসামিপক্ষের আইনজীবী তাঁকে খালাস দেওয়ার দাবি করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ হারুনের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দাবি করেন।

গত বছরের ৫ জুলাই সন্ধ্যার পর ওয়ারীর একটি বাড়ির নয় তলায় শিশু সায়মার লাশ পাওয়া যায়। ওই বাড়ির ৬ষ্ঠ তলায় সায়মা তার পরিবারের সঙ্গে থাকত। লাশ পাওয়ার আগে সে তার মাকে ওপরের তলায় খেলতে যাচ্ছিল বলে জানায়। কিন্তু সে ফিরে না আসায় তাঁর খোঁজ করতে গিয়ে নবম তলায় তার গলায় রশি পেচানো অবস্থায় সায়মার মরদেহ পাওয়া যায়। পরে এ ঘটনায় সায়মার বাবা আবদুস সালাম বাদী হয়ে ওয়ারী থানায় মামলা করেন।

এরপর পুলিশ গত বছরের ৭ জুলাই কুমিল্লার তিতাস থানার ডাবরডাঙ্গা এলাকা থেকে হারুন অর রশিদকে গ্রেপ্তার করে। পরদিন হারুন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে সায়মাকে হত্যার দায় স্বীকার করেন। তিনি জবানবন্দিতে বলেন, এক মাস আগে থেকে তার খালাতো ভাই পারভেজের বাসায় ছিলেন। ওয়ারীতে যে ভবনে ঘটনা ঘটে ওই ভবনের সাত তলায় পারভেজ থাকতেন। ঘটনার আগে ভবনের লিফট দিয়ে নামার সময় সায়মার সঙ্গে তার দেখা হয়। লিফটইে তিনি সায়মার সঙ্গে খারাপ কাজ করবেন বলে সিদ্ধান্ত নেন। পরে ছাদ দেখার কথা বলে তিনি সায়মাকে ছাঁদে নিয়ে যান। ছাঁদে নিয়ে সায়মাকে তিনি ধর্ষণের চেষ্টা করেন। কিন্তু সায়মা চিৎকার করতে থাকে। মুখ চেপে ধরে সায়মাকে তিনি ধর্ষণ করেন।

ধর্ষণের একপর্যায়ে সায়মা নিস্তেজ হয়ে পড়ে। তখন হারুন ভয় পান। সায়মার জ্ঞান ফিরলে সে মানুষের কাছে ঘটনা বলে দেবে। এ কারণে যাতে ঘটনা প্রকাশ না পায় সেজন্য গলায় দড়ি পেঁচিয়ে তাকে হত্যা করা হয়। পরে সায়মাকে টেনে নিয়ে রান্না ঘরের সিলিংকের নিচে ফেলা হয়। এরপর তিনি (হারুন) পালিয়ে যান।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status