ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
রোববার ২১ জুন ২০২৬ ৭ আষাঢ় ১৪৩৩
ডিআইজি মিজান ও বাছিরের বিরুদ্ধে চার্জ শুনানি ১৬ মার্চ
নতুন সময় প্রতিবেদক
প্রকাশ: Wednesday, 4 March, 2020, 9:05 PM

ডিআইজি মিজান ও বাছিরের বিরুদ্ধে চার্জ শুনানি ১৬ মার্চ

ডিআইজি মিজান ও বাছিরের বিরুদ্ধে চার্জ শুনানি ১৬ মার্চ

পুলিশের বিতর্কিত ডিআইজি (সাময়িক বরখাস্ত) মো. মিজানুর রহমান ও দুদক পরিচালক (সাময়িক বরখাস্ত) খন্দকার এনামুল বাছিরের বিরুদ্ধে চার্জ (অভিযোগ) গঠন শুনানির জন্য ১৬ মার্চ দিন ধার্য করা হয়েছে।

বুধবার ঘুষ লেনদেনের মামলায় বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম চার্জ শুনানির ওই দিন ধার্য করেন।

এদিন আদালতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ শুনানি করেন। শুনানিতে আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের যথেষ্ট উপাদান আছে জানিয়ে তিনি চার্জ গঠনের প্রার্থনা করেন।

অপরদিকে আসামিপক্ষে আইনজীবী এহেসানুল হক সমাজী চার্জ শুনানি পেছানোর আবেদন করেন। আদালত আসামিপক্ষের আবেদন মঞ্জুর করে চার্জ শুনানির পরবর্তী ওইদিন ধার্য করেন। চার্জ শুনানি উপলক্ষে এদিন ডিআইজি মিজান ও দুদকের বাছিরকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।

এর আগে ১৯ জানুয়ারি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্যা আদালতের সংশ্লিষ্ট শাখায় চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেন। ৯ ফেব্রুয়ারি আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ করেন।

চার্জশিটে বলা হয়, দুদকের পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে কমিশনে দায়িত্ব পালনকালে অসৎ উদ্দেশ্যে, নিজের লাভবান হওয়ার আশায়, ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে ডিআইজি মো. মিজানুর রহমানকে অবৈধভাবে সুযোগ-সুবিধা দেয়ার হীন উদ্দেশ্যে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণ করেন।

অপরদিকে মিজানুর রহমান সরকারি কর্মকর্তা হয়ে নিজের বিরুদ্ধে আনীত অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ থেকে অব্যাহতি পাওয়ার জন্য অর্থাৎ অনুসন্ধানের ফলাফল নিজের পক্ষে নেয়ার জন্য অসৎ উদ্দেশ্যে এনামুল বাছিরকে অবৈধভাবে প্রভাবিক করার লক্ষ্যে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ দিয়ে পরস্পর যোগসাজশে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। চার্জশিটে ১৭ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

২০১৮ সালের জানুয়ারিতে ঢাকা মহানগর পুলিশের ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে স্ত্রী-সন্তান রেখে অপর এক নারীকে জোরপূর্বক বিয়ে ও নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে। এছাড়া এক নারী সংবাদপাঠিকাকে হুমকি দেয়ার অভিযোগ আসে তার বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগ ওঠার পর তাকে ডিএমপি থেকে সরিয়ে পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত করা হয়। এর চার মাস পর তার অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধানে নামে দুদক।

কমিশনের উপপরিচালক ফরিদউদ্দিন পাটোয়ারীর হাত ঘুরে ওই অনুসন্ধানের দায়িত্ব পান খন্দকার এনামুল বাছির। এক পর্যায়ের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে অডিও রেকর্ড দিয়ে ডিআইজি মিজান দুদক কর্মকর্তা এনামুল বাছিরকে ঘুষ দিয়েছেন দাবি করেন। গত বছরের ১৭ জুলাই ৪০ লাখ টাকা ঘুষ লেনদেনের অভিযোগে ডিআইজি মিজান ও এনামুল বাছিরের বিরুদ্ধে এ মামলাটি করা হয়।  

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status