ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
রোববার ২১ জুন ২০২৬ ৭ আষাঢ় ১৪৩৩
জাতির জনকের জম্মশত বার্ষিকীতে বাসস্হান চায় গৃহহীন মুক্তিযোদ্ধা বিজন চন্দ্র দাশ
মুহাম্মদ ইউসুফ খাঁন, সীতাকুন্ড
প্রকাশ: Wednesday, 4 March, 2020, 8:47 PM

জাতির জনকের জম্মশত বার্ষিকীতে বাসস্হান চায় গৃহহীন মুক্তিযোদ্ধা বিজন চন্দ্র দাশ

জাতির জনকের জম্মশত বার্ষিকীতে বাসস্হান চায় গৃহহীন মুক্তিযোদ্ধা বিজন চন্দ্র দাশ

জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে একাত্তরে মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরযোদ্ধা হিসেবে অংশ নেয় বিজন চন্দ্র দাশ, পিতাঃ স্বর্গীয় মহেন্দ্র চন্দ্র দাশ, মাতাঃ স্বর্গীয় মনি বালা দাশ। তিনি সীতাকুন্ড পৌরসভার মহাদেবপুরে মুক্তিযুদ্ধের পর থেকে ভাড়াতে থাকেন।


১৯৭১ সনে  ভারতের হরিনা ক্যাম্পে কিছুদিন ট্রেনিং গ্রহন শেষে অম্পিনগর ট্রেনিং সেন্টারে আলফা কোম্পানীর হয়ে ট্রেনিং শেষ করে রামগড় দিয়ে যুদ্ধ করতে করতে সীতাকুন্ডের ছোটদারগারহাট পাহাড়ে অবস্হান গ্রহন করেন পুরো টীমসহ। তার কমান্ডার ছিলেন সৈয়দপুর ইউনিয়নের শহিদুল্লাহ নিজামী।

বিজন চন্দ্র দাশ ছিলেন ডেপুটি কমান্ডার। ভারতে থাকাকালীন তার তালিকা নং ছিল ২০১৯৭ গেজেট নং ছিল ১৯৫৩ মুক্তিযুদ্ধা মন্ত্রনালয় কর্তৃক প্রদত্ত সনদ নং ছিল ম- ৪৯৯৯৭ যা ২৭-১২-২০০৪ ইং তারিখে প্রদেয়। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময় বিজন চন্দ্র দাশ শহিদুল্লাহ নিজামীর নেতৃত্বে পুরো টীম অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত রাতে পাক হানাদারদের বিভিন্ন দূর্গোতে আঘাত হানতেন বলে জানান।

১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সনে বাংলাদেশ স্বাধীন হলে ১৯৭২ সালে তিনি সীতাকুন্ড উপজেলার ফৌজদারহাট পাইলন ইন্ডাস্ট্রিজে সিকিউরিটির গার্ড এর চাকুরী নেয় এবং ১৯৮০ সন পর্যন্ত সেখানেই চাকুরীরতঃ ছিলেন। পাইলন ইন্ডাস্ট্রিজ বন্ধ হলে তিনি ঐ বছরের শেষদিক থেকে 'হকার' পত্রিকা বিক্রি করে জীবন যাপন শুরু করেন। পত্রিকা বিক্রি করে সংসার জীবন শুরু করে ১৯৮০ থেকে ২০১০ সন পর্যন্ত হকারগিরী জীবনের অবসান ঘটান।

২০১৯ সনের জুনে তিনি স্ট্রোক করে বহু টাকার মাসিক ঔষুধ সেবন ও নানান পরীক্ষায় নিরিক্ষায় জীবন যাপন করছেন। বিজন চন্দ্র দাশের জীবন চলছে শেখ হাসিনার প্রদত্ত মুক্তিযোদ্ধার ভাতায়। তা না হলে তিনি কবেই ওপারে চলে যেতেন এটি বলেই কেঁদে ফেললেন এবং মানবতার মাতা শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনায় স্রস্টার নিকট দু'হাত তুলে দোয়া করলেন।

বিজন চন্দ্র দাশ বললেন, কি পাবো কি পাবো না এটি ভেবে যুদ্ধে যায়নি। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর নির্দেশ পালনই ছিল মূল শক্তি। তিনি বলেন, যেহেতু বেশী পড়ালেখা করতে পারিনি সেহেতু উন্নত জীবন যাপন সম্ভব হয়নি। তিনি বলেন, জনকের সুযোগ্য কন্যার ঋন আমরা মুক্তিযোদ্ধারা শোধিতে পারিব না।

তিনি আমাদের জন্য যা করেছেন তা অসামান্য। মুক্তিযুদ্ধকালীন ডেপুটি কমান্ডার  বীরমুক্তিযোদ্ধা বিজন চন্দ্র দাশের জীবদ্দশায় একমাত্র চাওয়া আকূল আবেদন তার ঘর নেই। অর্থের অভাবে জায়গা কিনে ঘর করা স্বাধীনতার প্রায় ৫০ বছরে ও সম্ভব হয়নি। অন্তিমকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট তার অাকূতি ' মা জননী, জাতির জনকের জম্মশত বার্ষিকীতে আমি গৃহহীন মুক্তিযোদ্ধাকে একটি  নিবাস/ বাসস্হান প্রদান করলে আমৃত্যূ কৃতজ্ঞ থাকবেন বলে জানান।

তিনি বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নই ছিল অন্ন- বস্ত্র - বাসস্হান - শিক্ষা - চিকিৎসা নিশ্চিত করা এ জাতির জন্য।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status