মহিউদ্দিন খান জানান, ১৯ ফেব্রুয়ারি রান্না করার সময় গ্যাসের আগুনে দগ্ধ হন নাজমা। পরে তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে পরদিন তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানেই মৃত্যুর সঙ্গে লোড়াই করছেন নাজমা।
মহিউদ্দিন বলেন, আমি বাসের হেলপারি করে যা পাই। তা দিয়ে নাজমার পর্যাপ্ত চিকিৎসা সম্ভব না। তাই বাধ্য হয়ে বিত্তবানদের কাছে সাহায্য চেয়েছি।
ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন জানান, আগুনে নাজমার শরীরের ২২ শতাংশ পুড়ে গেছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। এ অবস্থায় প্রয়োজনীয় চিকিৎসা না পেলে তিনি মারাও যেতে পারেন। তাই নাজমাকে বাঁচাতে বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহবান জানাচ্ছি।