জার্মানির বন নগরীর ডুইসডর্ফে জার্মান-বাংলাদেশ সমিতির ‘হাউজ অব ইন্টেগ্রেশন’ ভবনে শনিবার বার্ষিক উন্মুক্ত দিবস এবং ঈদ উৎসব হয়েছে। বাংলাদেশিদের দ্বারা পরিচালিত হাউজ অব ইন্টেগ্রেশনে এই উন্মুক্ত দিবস উপলক্ষে জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সবার জন্য উন্মুক্ত করেছিল সম্পূর্ণ ভবন এবং এর কার্যক্রম সবাইকে জানার সুযোগ করে দেয়া হয়। বন, কোলন, জিগবুর্গসহ আশপাশের এলাকা থেকে প্রচুর বাংলাদেশি ও অন্যান্য দেশের প্রবাসী নারী-পুরুষ এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন।
‘হাউজ অব ইন্টেগ্রেশন’এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি যুবরাজ তালুকদার এবং নুরুল ইসলামের সার্বিক তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বন সিটি কর্পোরেশনের ইন্টেগ্রেশন দফরের প্রতিনিধি মুহাম্মাদ কাজমা, জার্মান আওয়ামী লীগের সভাপতি এ কে এম বশিরুল আলম চৌধুরী সাবু, সহ-সভাপতি জিল্লুর রহমান, উপদেষ্টা মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম, সাংবাদিক ও গবেষক ড. মারুফ মল্লিক, ডয়চে ভেলের সাবেক ফ্রিল্যান্স সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম এবং হোসাইন আব্দুল হাই, বন বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের গবেষক ড. রবিউল হোসেন, হাউজ অব ইন্টেগ্রেশনের সংগঠক তামান্না তালুকদার, রেশমা আক্তার, মোবাশ্বের হোসেন সুমন, শাহজাহান ভূঁইয়াসহ আরও অনেকে।
হাউজ অব ইন্টেগ্রেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি যুবরাজ তালুকদার জানান, এ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের কাছে এবং বিশেষভাবে আশপাশের অমুসলিম প্রতিবেশীদের কাছে হাউজ অব ইন্টেগ্রেশনের কার্যক্রম তুলে ধরা সম্ভব হয়েছে।
তিনি আরও জানান, বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের অভিবাসীদের জন্য, নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলাদেশি ও মুসলিম শিক্ষা, সংস্কৃতি পৌঁছে দেয়া এবং মূলধারার জার্মান সমাজের সাথে প্রবাসীদের সম্পৃক্ত করতে কাজ করছে এই শিক্ষা কেন্দ্র ও নামাজঘর।
জার্মান প্রবাসী বিশিষ্ট সমাজকর্মী নুরুল ইসলাম বলেন, এ প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে অর্ধশতাধিক ছাত্রছাত্রী নিয়মিত আরবি, কোরআন এবং ধর্মীয় শিক্ষা গ্রহণ করে থাকে। এটা সবার একনিষ্ঠ প্রচেষ্টার মাধমেই সম্ভব হয়েছে। তিনি বন ও আশপাশে বসবাসকারী প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।