|
ঢাকাকে আরো সুন্দর করতে সাহায্য করি
রহমান শেলী
|
|
ঢাকাকে আরো সুন্দর করতে সাহায্য করি ১. লাইনে দাড়াঁনোঃ সকল যাত্রী টিকেট কেটে লাইনে দাঁড়িয়ে ওঠার ব্যবস্থা করা। ২. সিরিয়াল নাম্বারঃ ঢাকার সকল বাসের সিরিয়াল নাম্বার থাকবে। কোম্পানি যে নামেই হোক নাম্বার থাকবে একটা। নাম্বার ধরে সিরিয়ালি যাবে। তখন বাসে বাসে যে প্রতিযোগিতা তা জায়গায় আন্ধ হয়ে যাবে এবং দুর্ঘটনা কম হবে। যাত্রীরা আরাম করে সিরিয়াসলি ওঠতে পারবে। ৩. বাস বেঃ ঢাকায় বাস থামার জন্য অনেক জায়গায় বাস বে নেই। বাস বে বের করতে হবে। যেন বাস সেখানে থামতে পারে। তা না হলে যাত্রীরা সহজে বাসে ওঠতে পারবে না। ৪. দুটি লাইন থাকবেঃ বাসে ওঠার জন্য দুটি লাইন থাকবে। একটি থাকবে অসুস্থ, শিশ-কিশোর, ইউনিফর্ম পরা ছাত্র-ছাত্রী ও বৃদ্ধ- বৃদ্ধাদের জন্য। অন্যটি বাকিদের জন্য। ৫. সিঙ্গেল ওনার কারঃ যেমন প্রাইভেট কারসহ আরো যেসব কার আছে একজন ব্যক্তি চলেন। এগুলোকে কমাতে হবে। বেজোড় ও জোড় সংখ্যা হিসেবে গাড়ী চলতে পারে। যেমন শনি, সোম, বুধ চলবে বেজোড়। আর রবি, মঙ্গল, বৃহ চলবে জোড়। শুক্রবার জোড় ও বেজোড় দুটিই চলবে। ছুটির দিন হিসেবে এই দিন সবাই কাজে লাগাবে। ৬. ফুটপাত ও রাস্তার পাশঃ রাস্তার ৩ ভাগের ১ ভাগ হচ্ছে ছোটখাট দোকানে দখল। উদাহরণ সরূপ বলা যায় বসুন্ধরা আবাসিক রোড। মাঝে মাঝে ওঠিয়ে দেয়া হয়। আবার বসে। স্থায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। এটি একটি উদাহরণ মাত্র। ঢাকায় এরকম অনেক উদাহরণ আছে। উঠিয়ে দেয়া হয় আবার বসে। কেউ কেউ বলেন চাঁদাবাজি হয় এখানে। কিন্তু তা নয়। তাদের বিকল্প আয়ের ব্যবস্থা করতে হবে। এজন্য শুক্রবার মার্কেট বানাতে হবে। সরকারি অনেক মাঠ-ঘাট জায়গা আছে, সেখানে তাদের ফ্রি অস্থায়ী বসার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। এর আগে অবশ্য প্রকৃত ফুটপাতবাসীর লিস্ট করতে হবে। ৭. অবৈধ রিক্সাঃ
ধীরে ধীরে সকল রিক্সাকে লাইসেন্সর আওতায় আনা। একটি সুন্দর ও যানজটমুক্ত আরামের শহর হয়েে ওঠুক ঢাকা। আর আমরা বলি, আমাদের একটা বিশ্বমানের শহর আছে। লেখক: পুলিশ সুপার, এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
