|
সিম্ফনির মোবাইল বিস্ফোরণে এনজিওকর্মী হাসপাতালে
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
|
সিম্ফনির মোবাইল বিস্ফোরণে এনজিওকর্মী হাসপাতালে তাকে জামালপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার সিঁধুলী ইউনিয়নের চরলোটাবর গ্রামের কৃষক লাল মিয়ার ছেলে। ফোনসেট বিস্ফোরণের শব্দে ওই কার্যালয়ে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়। বিষয়টি টের পেয়ে তারা গুরুতর আহত সোহেল রানাকে দ্রুত জামালপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের পুরুষ সার্জিক্যাল ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চিকিৎসকদের মতে, তার উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে। ঘটনার বর্ণনা দিয়ে গুরুতর আহত সোহেল রানা বলেন, ‘আমি এই এনজিওতে গত ৯ মে যোগদান করেছি। আমাদের প্রশিক্ষণ চলছে। এনজিওটির পরিচালকের ব্যক্তিগত সহকারী মোস্তাক আহমেদ নতুন কর্মীদের সাথে আলোচনা করছিলেন। তখন বেলা সাড়ে ১১টা বাজে। আমি সোফাসেটে বসেছিলাম। হঠাৎ আমার প্যান্টের ডান পকেটে বেশ গরম লাগছিল। তাকিয়ে দেখি প্যান্টের পকেটে আগুন ধরে গেছে। দেখামাত্রই আমি পকেটে থাকা মোবাইলটি বের করার উদ্দেশে ধরার সাথে সাথেই কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই বিকট শব্দে ফোন সেটটি বিস্ফোরিত হয়। অফিসের অন্যান্য কর্মীরা তখন আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।’ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী এনজিওটির ময়মনসিংহ বিভাগীয় পরিচালকের ব্যক্তিগত সহকারী মোস্তাক আহমেদ বলেন, ‘মোবাইল ফোন সেট বিস্ফোরণে মানুষ মারা যাওয়া বা গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনা কেবল সংবাদপত্র, ফেসবুক এবং ইউটিউবেই দেখেছি। কিন্তু আজকে নিজের চোখেই দেখলাম। সোহেল রানার শার্টের পকেটে ফোনসেটটি বিস্ফোরিত হলে হয়তো তাকে আজ বাঁচানোই যেতো না। জামালপুরে বিকট শব্দে প্যান্টের পকেটে থাকা মোবাইল ফোন সেট বিস্ফোরণে মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়েছেন সোহেল রানা (২৫) নামের এক যুবক। প্রথম চাকরির কর্মস্থল জামালপুর শহরের বেলটিয়া খুপিবাড়ী এলাকায় এনজিও গ্রামীণ মানবকল্যাণ সংস্থার ময়মনসিংহ বিভাগীয় কার্যালয়ের কক্ষে। বুধবার ১৯ জুন, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ দুর্ঘটনার শিকার হন তিনি।
এ ব্যাপারে সিম্ফনির জনসংযোগ কর্মকর্তা বলেন, সিম্ফনির পক্ষ থেকে জামালপুরে খোজ নিয়ে সোহেল রানাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাই আমরা এখনি কিছু বলতে পারছি না বিস্ফোরিত মোবাইলটি সিম্ফনির কি না। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
