ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
রোববার ১০ মে ২০২৬ ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রাইট ফিউচারের এমডির বিরুদ্ধে অন্তঃসত্ত্বা নারীর ধর্ষণ মামলা
নতুন সময় প্রতিবেদক
প্রকাশ: Tuesday, 28 May, 2019, 3:41 PM

ব্রাইট ফিউচারের এমডির বিরুদ্ধে অন্তঃসত্ত্বা নারীর ধর্ষণ মামলা

ব্রাইট ফিউচারের এমডির বিরুদ্ধে অন্তঃসত্ত্বা নারীর ধর্ষণ মামলা

ব্রাইট ফিউচার হোল্ডিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রেজাউল ইসলাম সেলিমসহ চারজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগের ট্রাইব্যুনালে আরজি করেছেন এক অন্তঃসত্ত্বা নারী (২৯)।




ঢাকার ৯ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. শরীফ উদ্দিন আজ মঙ্গলবার রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানাকে বাদীর আরজি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।

এ সম্পর্কে বাদীপক্ষের আইনজীবী শুভ্র সিনহা রায় বলেন, ট্রাইব্যুনালে গতকাল সোমবার বাদী এ আরজি দাখিল করেন। ওইদিন শুনানির পর বিচারক আজ আদেশের দিন ধার্য করেন। পরে আজ আদেশ প্রদান করেন।

মামলার অপর আসামিরা হলেন, ব্রাইট ফিউচার হোল্ডিং লিমিটেডের এমডির সহযোগী পারভীন আক্তার (২৯), কাজী সামছুর রহমান (৪০) ও হারুন অর রশিদ (৪০)।

মামলায় বাদীর অভিযোগ, রেজাউল ইসলাম সোহেলের সঙ্গে বাদীর ২০১২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর গাজীপুরে ৩ কাঠা প্লট ক্রয়ের মৌখিক চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী বাদী সোহেলকে ২৪ লাখ টাকা প্রদান করেন। ১৪ মাস পরে সোহেল চুক্তিটি বাতিল করে গার্ডিয়ান রিয়েল এস্টেট থেকে একটি ফ্ল্যাট বাদীকে দেওয়ার লিখিত চুক্তি করেন। দুই বছর পরও সোহেল সেটাও বুঝিয়ে দিতে তালবাহানা শুরু করলে এক সালিশে আসামি তার একটি প্রজেক্ট বিক্রি করে বাদীকে ৬৪ লাখ প্রদান করবেন বলে জানান। একই সঙ্গে তার এক কর্মচারীর ৭ লাখ টাকার ছয়টি চেক বাদীকে প্রদান করেন।

আরজিতে বলা হয়, চেক প্রদান করার পর আসামি সোহেল বাদীকে বীমা চেক ও চুক্তিনামা ফেরত দেওয়ার জন্য বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি ও হুমকি দেখান। এ বিষয়ে বাদী ভাটারা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরবর্তীতে বাদী ২০১৮ সালের ২৪ ডিসেম্বর সিএমএম আদালতে আসামি সোহেলের বিরুদ্ধে একটি প্রতারণার মামলা করেন। মামলার পর তা তুলে নিতে আসামি হুমকি দিতে থাকেন। একপর্যায়ে তিনি বাদীকে আপোষের প্রস্তাব দেন। আসামি পারভীন আক্তার আপোষের বিষয়ে তাকে বোঝান এবং বলেন, তাকে অন্য স্থানে প্লট দেওয়া হবে।

গত ২৪ এপ্রিল আসামিদের সঙ্গে বাদীর মামলা তুলে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়। বাদী আপোষের কথা না মানলে সোহেল তাকে তার একান্ত রুমে নিয়ে আলাপ করেন। সোহেল বাদীকে বলেন, তাকে সন্তুষ্ট করতে পারলে তাকে জমি ফেরত দেবেন। বাদী অন্তঃসত্ত্বা জানালেও আসামি পারভীনের সহযোগিতায় আসামি সোহেল বাদীকে ধর্ষণ করেন, যা আসামি পারভীন ভিডিও ধারণ করেন। ধর্ষণের পর বাদী দরজায় ধাক্কা মেরে বের হওয়ার চেষ্টা করলে আসামি কাজী সামছুর রহমান এবং হারুন অর রশিদ তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন এবং শ্লীলতাহানী করেন। এমনকি মামলা তুলে না নিলে ধর্ষণের ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়ার হুমকি দেন।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status