|
'২০২২ সালে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের বাজার হবে ৩৩১ বিলিয়ন ডলার'
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() '২০২২ সালে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের বাজার হবে ৩৩১ বিলিয়ন ডলার' বাংলাদেশ আইসিটি জার্নালিস্ট ফোরামের (বিআইজেএফ) উদ্যোগে ও প্লেক্সাস ক্লাউডের সহযোগিতায় সোমবার ৬ মে, রাজধানীর কারওয়ানবাজারে সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক অডিটোরিয়ামে ‘দ্য ফিউচার অব ক্লাউড কম্পিউটিং’ শীর্ষক কর্মশালায় এ আহ্বান জানানো হয়। ![]() '২০২২ সালে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের বাজার হবে ৩৩১ বিলিয়ন ডলার' কর্মশালায় অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ বলেন, আইসিটি খাতে বাংলাদেশ ভালো করছে। তবে সেটি দারুণভাবে হচ্ছে এটি বলা যাবে না। আমরা বিদেশিদের যতটা কদর করি সেই তুলনায় দেশের তরুণরা সুযোগ পায় না। এদিকে নজর রাখতে হবে। তিনি কর্মশালা আয়োজনের জন্য বিআইজেএফকে ধন্যবাদ জানান। তিনি আরও বলেন, আইসিটি খাতে বাংলাদেশ এগিয়ে গেলেও প্রতিবেশি দেশ ভারত থেকে এখনো অনেক পিছিয়ে আছে। আমাদের রিসোর্স অনেক কম তাই আমাদের সম্পদ শেয়ার করতে হবে। তাই ক্লাউড সিস্টেম আমাদের জন্য অনেক কার্যকরী একটি পদ্ধতি। ডেস্কটপ কম্পিউটার, ল্যাপটপ ও ক্ষুদ্র আকারের ডাটা সেন্টারের পরিবর্তে বিশ্বব্যাপী সমৃদ্ধ হচ্ছে ক্লাউড সিস্টেম। এটাকে আমাদের বেশি করে গ্রহন করতে হবে। কর্মশালায় মোবারক হোসাইন ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ওপর তার দীর্ঘদিনের গবেষণার তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরে বলেন, পুরো বিশ্বের আইসিটি সেক্টর ক্রমান্বয়ে ক্লাউডের ওপর নির্ভরশীল হয়ে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতে এর পরিধি আরো বৃদ্ধি পাবে। এতে ডেস্কটপ কম্পিউটার, ল্যাপটপ ও ক্ষুদ্র আকারের ডাটা সেন্টারের ব্যবহার কমে আসবে। ফলে গ্রাহকের হার্ডওয়্যারের খরচ কমে যাবে। ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের মাধ্যমে পাবলিক ক্লাউড, প্রাইভেট ক্লাউড অথবা হাইব্রিড ক্লাউড তৈরির মাধ্যমে আইসিটি সেবাগুলো এক ক্লাউড থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। কর্মশালায় দেশের শীর্ষ গণমাধ্যমে কর্মরত বিআইজেএফের প্রায় ৫০ জন সদস্য অংশ নেন। কর্মশালা শেষে প্রশিক্ষণার্থীদের সনদপত্র দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে বিআইজেএফে যুক্ত হওয়া নতুন ১৯ সদস্যকে আনুষ্ঠানিক ভাবে বরণ করে নেওয়া হয়। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
