|
মামলা প্রত্যাহারে হুমকি: তারেকসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
|
তারেক মামলায় তারেক ছাড়া অপর আসামিরা হলেন- বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। এ ছাড়া আরো পাঁচজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। বিষয়টি নতুন সময়'কে নিশ্চিত করেছেন বাদীর আইনজীবী কাজী রওশন আরা ডেইজি। মামলায় অভিযোগ করা হয়, গত ৩০ এপ্রিল খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে একটি মানহানি মামলায় হাজিরা দেওয়ার জন্য সকাল ৭টায় রামপুরা থেকে ঢাকা-মাওয়া রোডের প্রচেষ্টা গাড়িতে রওনা হই। তাঁতীবাজার মোড়ে এসে নেমে পায়ে হেঁটে আদালতের দিকে রওনা হই। এ সময় আমার পেছন থেকে ৪/৫ জন যুবক পাঞ্জাবি টেনে ধরে গতি রোধ করে পাঞ্জাবি ছিঁড়ে ফেলে এবং আমাকে বলে ‘তোকে পেয়েছি আর ছাড়া যাবে না, কারণ তুই আমাদের মা ও আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে অনেকগুলো মামলা করেছিস। তোর মামলার কারণে আমাদের নেত্রী মুক্তি পাচ্ছে না। তাই তোকে আজ খুন করব। কারণ আমাদের বিএনপির তারেক রহমানের নির্দেশে ঊর্ধ্বতন নেতারা হুকুম দিয়েছেন মামলাকারী এ বি সিদ্দিকীকে যেখানে পাবি তাকে আটক করে প্রথমে আমাদের সকল মামলা প্রত্যাহার করে নেওয়ার জন্য বাধ্য করবি। এক মাসের জন্য তোকে মুক্ত করে দিলাম। যদি স্বেচ্ছায় মামলা তুলে না নিস তাহলে তোকে মরতে হবে। তোকে তোর সরকারও আমাদের হাত থেকে আর বাঁচাতে পারবে না। তোকে নুসরাতের মতো জ্বলন্ত আগুনে পুড়িয়ে মারবো। যদি বাঁচতে চাস কথাটি মনে রাখিস। তাই তোকে সামনে পেয়েছি আর ছাড়া যাবে না। এখন বল, মামলা প্রত্যাহার করবি কি-না?’ আমি জীবনের ভয়ে মামলা প্রত্যাহার করে নেওয়ার কথা স্বীকার করি। তখন ওরা বলে ‘যা তোকে এক মাস সময় দিলাম। এক মাসের মধ্যে আমাদের নেত্রী ও অন্যান্য নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার করে নিবি। এ সময় তারা আমার গায়ে থাকা মুজিব কোট খুলে নিয়ে যায় এবং বলে তোর বাবার মার্কা মুজিব কোট খুলে নিয়ে গেলাম। শেখ মুজিবের জুলুমবাজ মুজিব কোট আর আমরা দেখতে চাই না। এই বলে আমার পকেটে থাকা ২২০০ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে আমাকে বলে ‘কোনো চিল্লাফাল্লা করবি না, এদিক-ওদিক দেখবি না, সোজা আদালতের দিকে চলে যা। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
