ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
শনিবার ৬ জুন ২০২৬ ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
২২ শতাংশ নারী পোশাককর্মী যৌন হয়রানির শিকার
নতুন সময় প্রতিবেদক
প্রকাশ: Sunday, 5 May, 2019, 3:04 AM

২২ শতাংশ নারী পোশাককর্মী যৌন হয়রানির শিকার

২২ শতাংশ নারী পোশাককর্মী যৌন হয়রানির শিকার

বাংলাদেশে ২২ শতাংশ নারী পোশাককর্মী কর্মক্ষেত্রে শারীরিক, মানসিক এবং যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছেন । অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের নতুন এক প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

শনিবার ঢাকার গুলশান শুটিং ক্লাবে ‘নারীবান্ধব নিরাপদ কর্মস্থল’ নামে একটি আন্তর্জাতিক ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই প্রতিবেদন তুলে ধরে অ্যাকশনএইড বাংলাদেশ।

অনুষ্ঠানে ‘কর্মক্ষেত্রে লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা: প্রতিদিন প্রত্যেক কর্মক্ষেত্রে ঘটছে’ নামের গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক তাসলিমা ইয়াসমিন। এতে বলা হয়, বিশ্বব্যাপী, কর্মক্ষেত্রে লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা মানবাধিকারের সর্বাধিক লঙ্ঘনের মধ্যে একটি। এক শুমারী অনুযায়ী, ১৫ বছরের বেশি বয়সী ৩৫ শতাংশ নারী (বিশ্বব্যাপী ৮১৮ মিলিয়ন নারী) তাদের বাড়িতে, কমিউনিটিতে অথবা কর্মক্ষেত্রে যৌন বা শারীরিক সহিংসতার শিকার হয়েছে।




এসময় ‘সজাগ নেটওয়ার্ক’ পরিচালিত একটি গবেষণার তথ্য তুলে ধরে বলা হয়, ২২ শতাংশ নারী পোশাক কর্মীরা কর্মক্ষেত্রে অথবা কর্মক্ষেত্রে যাওয়ার পথে শারীরিক, মানসিক এবং যৌন হয়রানির শিকার হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উপর বিশ্বাসের অভাবের কারণে তাদের মধ্যে ৬৭ শতাংশ-ই নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ কমিটির কাছে প্রতিকার চায় না।

এই পরিস্থিতিতে কর্মক্ষেত্রে লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে দেশের বিদ্যমান আইনেরও বিশ্লেষণ করেছে অ্যাকশনএইড বাংলাদেশ। বিশ্লেষণ বলছে, কর্মক্ষেত্রে লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতাকে চিহ্নিত করার জন্য সামগ্রিক আইনি কাঠামোয় কার্যকরভাবে লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতার বিভিন্ন ধরণ অনুযায়ী উল্লেখ নেই, যার মধ্যে অন্যতম-যৌন হয়রানি।

বিদ্যমান আইনে সংজ্ঞায়িত করা হয়নি যৌন হয়রানিকে। গবেষণা বলছে, কর্মক্ষেত্রে নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে সুপ্রিম কোর্ট ২০০৯ সালে একটি নির্দেশনা দেয়। এই নির্দেশনা প্রণয়নের নয় বছর পরও প্রতিষ্ঠানগুলো যৌন হয়রানি প্রতিরোধে নির্দেশনা অনুযায়ী কোন কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না।

অ্যাকশনএইড বাংলাদেশ-এর গবেষণায় দেখা গেছে, ৮৭ শতাংশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী উক্ত দিক-নির্দেশনা সম্পর্কে একেবারেই অবগত নয়, কর্মক্ষেত্রে যার হার ৬৪.৫ শতাংশ। এ প্রসঙ্গে অ্যাকশনএইড বাংলাদেশ এর কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ্‌ কবির বলেন, একদিকে আইনে যৌন হয়রানিকে সজ্ঞায়িত করা হয়নি। অন্যদিকে বিদ্যমান আইনের প্রয়োগেও রয়েছে গুরুতর অভাব। মামলার বিলম্বিত নিষ্পত্তি এবং তদন্ত কর্মকর্তা এবং পাবলিক প্রসিকিউটরদের অদক্ষতা ও অবহেলার কারণে ক্ষতিগ্রস্থরা প্রায়ই বিচার পেতে ব্যর্থ হন। এর প্রভাব পড়ছে নারীর মনে, কাজে, সমাজে।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ


Also News   Subject:  যৌন হয়রানি  







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status