শনিবার (৭ নভেম্বর) দুবাইয়ের বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল কার্যালয়ের উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় ঐতিহাসিক "জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস" পালন করা হয়েছে। দিবসটি উদযাপন উপলক্ষ্যে সকালে দুবাই ও উত্তর আমিরাতে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল মোঃ রাশেদুজ্জামান আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। পরে মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং দেশের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সকল শহিদের স্মরণে এবং শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এ সময় দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও সার্বিক কল্যাণ কামনা করা হয়। দিবসটি উপলক্ষ্যে কনসাল জেনারেল-এর সভাপতিত্বে কনস্যুলেট মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত বাণী পাঠ করে শোনানো হয়। এরপর দিবসটির ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও তাৎপর্য তুলে ধরে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। আলোচনা সভায় কনসাল জেনারেল এবং দুবাই ও উত্তর আমিরাতের বাংলাদেশ কমিউনিটি ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সিআইপি, সাংবাদিক সহ নানা শ্রেণি পেশার প্রতিনিধিবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
বক্তারা ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট স্মরণ করে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং সকল বীর সিপাহী-জনতার অবদানের কথা তুলে ধরেন। তাঁরা ৭ নভেম্বরের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতি ধারন করে ভেদাভেদ ভুলে জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানান। দেশের সার্বিক উন্নয়ন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ওপর বক্তাগণ গুরুত্বারোপ করেন। কনস্যুলেটের তৃতীয় সচিব জনাব মোঃ নাজমুল হাসান অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।