|
বাংলাদেশে জাইকার প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শেষ করলেন জাপানের শিক্ষকরা
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() বাংলাদেশে জাইকার প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শেষ করলেন জাপানের শিক্ষকরা জাপানের শিক্ষকদের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্পর্কে বাস্তব ধারণা দেওয়া এবং তাদের মাধ্যমে দেশটির শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৈশ্বিক বিষয় সম্পর্কে আগ্রহ ও সচেতনতা তৈরি করাই এ কর্মসূচির উদ্দেশ্য। পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে পরিচালিত এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী শিক্ষকরা বিদেশে মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা অর্জনের পাশাপাশি দেশে ফিরে অর্জিত অভিজ্ঞতার আলোকে বিভিন্ন ফলোআপ কার্যক্রম পরিচালনা করেন। বাংলাদেশ সফরে শিক্ষকরা সরকারি, বেসরকারি ও অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের পরিচালিত বিভিন্ন স্কুল পরিদর্শন করেন। পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, প্রাইমারি টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট এবং কুমন (KUMON) সেন্টার ঘুরে দেখেন। ঢাকার পাশাপাশি অন্যান্য শহর ও গ্রামাঞ্চলের শিক্ষা কার্যক্রমও পর্যবেক্ষণ করেন তারা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছাড়াও আদমজী রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে (ইপিজেড) একটি জাপানি প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন শিক্ষকরা। বাংলাদেশের শিল্পখাতে জাপানি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সম্পর্কে অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। একইসাথে ঢাকা এমআরটি, সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রসহ বিভিন্ন অবকাঠামো ও সরকারি সেবা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে জাপানের সহযোগিতা সম্পর্কে তাদের বাস্তব ধারণা তৈরি হয়। জাইকা বাংলাদেশ অফিসে শিক্ষকরা বাংলাদেশে জাইকার চলমান বিভিন্ন কার্যক্রম ও সহযোগিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানার সুযোগ পান। মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতার সাথে বাংলাদেশ–জাপান সহযোগিতার বৃহত্তর চিত্র মিলিয়ে দেখতেও এটি তাদের সহায়তা করে। বাংলাদেশি শিক্ষার্থী, শিক্ষক, পেশাজীবী ও স্থানীয় মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের অভিজ্ঞতা সফরে অংশ নেওয়া শিক্ষকদের বিশেষভাবে প্রভাব ফেলেছে। একজন শিক্ষক বলেন, ‘বাংলাদেশে অর্জিত অভিজ্ঞতা আমি অবশ্যই আমার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ভাগ করে নেব।’ আরেকজন বলেন, ‘এই এক সপ্তাহে অনেক কিছু শিখেছি। আমি আবার এই দেশে আসতে চাই।’ এই সফরের মাধ্যমে জাপানের শিক্ষকরা প্রচলিত উন্নয়ন সহযোগিতার বাইরেও শিক্ষা, অবকাঠামো, শিল্প ও সরকারি সেবাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও জাপানের ক্রমবর্ধমান ও বহুমাত্রিক সম্পর্ককে কাছ থেকে জানার সুযোগ পান। প্রশিক্ষণ শেষে জাপানে ফিরে যাওয়া শিক্ষকরা বাংলাদেশে অর্জিত অভিজ্ঞতা শ্রেণিকক্ষের পাঠদান ও শিক্ষাসামগ্রীতে ব্যবহার করবেন। পাশাপাশি নিজ নিজ এলাকার সহকর্মী শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ার মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগ আরও বিস্তৃত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
