|
জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬
টেকসই মৎস্যখাত গঠনে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার ওপর গুরুত্ব ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() টেকসই মৎস্যখাত গঠনে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার ওপর গুরুত্ব ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ ফিসারিজ রিসার্চ ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক ড. মোঃ লতিফুল ইসলাম বলেন, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং টেকসই সুনীল অর্থনীতি গড়ে তুলতে মৎস্যখাতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং বর্তমান সরকার এ খাতের উপর যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে ইতিমধ্যে নানা কর্মসূচী গ্রহণ করেছে। তিনি আরও বলেন, ‘ফিসারিজ’ শিক্ষায় শুধু তাত্ত্বিক জ্ঞানের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে দক্ষ করে তুলতে হবে । স্মার্ট ক্লাসরুম, আধুনিক ল্যাবরেটরি, বীঢ়বৎরসবহঃধষ ঢ়ড়হফ এবং ঢ়ৎধপঃরপধষ-নধংবফ শিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বাস্তবভিত্তিক জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও মৎস্যশিল্পের সঙ্গে ইন্টার্নশিপএব শিল্প- সংযোগ -এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বাস্তব কর্মক্ষেত্রের অভিজ্ঞতাও নিশ্চিত করতে হবে। জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬-এর তাৎপর্য তুলে ধরে তিনি বলেন, মৎস্যসম্পদের সংরক্ষণ, উৎপাদন বৃদ্ধি ও টেকসই ব্যবস্থাপনার জন্য সরকার, বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, শিল্পখাত এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। তরুণ প্রজন্মকে গবেষণা, উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে দেশের মৎস্যখাতকে আরও সমৃদ্ধ করা সম্ভব। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মাসুম ইকবাল বলেন, বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিই একমাত্র উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেখানে ‘ফিসারিজ’ বিষয়ে শিক্ষা প্রদান করা হয়। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য যেমন গর্বের বিষয়, তেমনি দেশের মৎস্যখাতের জন্য দক্ষ ও জ্ঞানভিত্তিক মানবসম্পদ তৈরির ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক খাদ্য নিরাপত্তা, সুনীল অর্থনীতি এবং টেকসই উন্নয়ন, যুগোপযোগী উদ্ভাবন-এর গুরুত্ব বিবেচনা করেই ডিআইইউ-তে ডিপার্টমেন্ট অব ফিসারিজ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আধুনিক মৎস্যখাতের চাহিদা অনুযায়ীী শিক্ষার্থীদের গড়ে তুলতে বিভাগে যুগোপযোগী ও শিল্প বান্ধব কারিকুলাম প্রণয়ন করা হয়েছ। উপাচার্য বলেন, মৎস্যখাতে তরুণদের জন্য চাকরির পাশাপাশি উদ্যোক্তা হওয়ারও ব্যাপক সুযোগ রয়েছ। Biofloc, Aquaponics, Recirculating Aquaculture System (RAS), Integrated Multi-Trophic Aquaculture (IMTA), Ornamental Fish Business, Pearl Culture Ges Fish Processing Industry-এর মতো উদীয়মান ক্ষেত্রে নতুন উদ্যোক্তা তৈরির সুযোগ রয়েছে। ফিসারিজ গ্র্যাজুয়েটদের ক্যারিয়াারের বিস্তৃত সুযোগের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ফিসারিজ ক্যাডারের পাশাপাশি সাধারণ ইঈঝ-এর বিভিন্ন ক্যাডারেও ফিসারিজ গ্র্যাজুয়েটরা অংশগ্রহণ করতে পারেন। এছাড়া বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউট (ইঋজও), বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করের্পারেশন (ইঋউঈ), বাংলাদেশ সমুদ্র গবেষণা ইন্সটিটিউট (ইঙজও), বিভিন্ন সরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান, আন্তর্জাতিক ও জাতীয় ঘএঙ, উন্নয়ন সংস্থা, মৎস্য খামার, হ্যাচারী, খাদ্য শিল্প, ফিস প্রসেসিং এবং রপ্তানী শিল্প-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, ফিসারিজ বর্তমানে একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় আন্তর্জাতিক গবেষণাক্ষেত্র। শিক্ষার্থীরা একোয়াকালচার, ম্যারীকালচার, সমুদ্রবিজ্ঞান, সমুদ্রবিদ্যা, মৎস্য রোগ, মৎস্যব্যবস্থাপনার পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ, সুনীল অর্থনীতি, এআই এবং মেশিন লার্নিং, খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি, মাইক্রোবায়োলজি ও জৈবরসায়ন -এর মতো আন্ঃবিভাগীয় ক্ষেত্রেও উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ পেতে পারে।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
