ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
সোমবার ১৭ আগস্ট ২০২৬ ২ ভাদ্র ১৪৩৩
৩০ দিনের মধ্যে বায়োমেট্রিক চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
চিকিৎসকদের ফাঁকি বন্ধে ডিজিটাল নজরদারি
নতুন সময় প্রতিবেদক
প্রকাশ: Monday, 17 August, 2026, 10:33 AM
সর্বশেষ আপডেট: Monday, 17 August, 2026, 10:37 AM

৩০ দিনের মধ্যে বায়োমেট্রিক চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

৩০ দিনের মধ্যে বায়োমেট্রিক চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করতে বায়োমেট্রিক উপস্থিতি ও জিও-ফেন্সিং প্রযুক্তি চালু করতে হবে। একই সঙ্গে হাসপাতালের ইউজার ফি, কেবিন ভাড়া, আইসিইউ চার্জ ও বিভিন্ন পরীক্ষার ফি পর্যায়ক্রমে শতভাগ ডিজিটাল পদ্ধতিতে আদায় করতে হবে। আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে উপস্থিতির তথ্য বেতন, ছুটি ও পদোন্নতির সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে।

৩০ দিনের মধ্যে বায়োমেট্রিক চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

৩০ দিনের মধ্যে বায়োমেট্রিক চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সম্প্রতি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় পরিদর্শনের সময় কর্মকর্তা ও চিকিৎসকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরপরই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার আলোকে এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়নের তাগিদ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে অধিদপ্তর থেকে পরিপত্রও জারি করা হয়েছে বলে জানা গেছে। স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে মন্ত্রণালয় থেকে এসব নির্দেশনা বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রতি মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে অগ্রগতি প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

ভালো কাজের পুরস্কার

হাসপাতালের কর্মদক্ষতা ও জবাবদিহিতা বাড়াতে প্রতি মাসে সেরা ৫ শতাংশ এবং দুর্বল কর্মদক্ষতার ৫ শতাংশ প্রতিষ্ঠান চিহ্নিত করতে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দেন। সেরা প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রণোদনা দেওয়ার পাশাপাশি দুর্বল কর্মদক্ষতার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলেন তিনি। দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক এবং প্রতিষ্ঠানপ্রধানের বিরুদ্ধেও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আগামী ২৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা করবেন বলে পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়।

ডিজিটাল হবে হাসপাতালের ফি আদায়

হাসপাতালের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে ইউজার ফি, কেবিন ভাড়া, আইসিইউ চার্জ এবং বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফি পর্যায়ক্রমে শতভাগ ডিজিটাল পদ্ধতিতে আদায়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে কেবিন ফি পুনর্মূল্যায়ন বা যৌক্তিকীকরণের ক্ষেত্রে দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর বিষয়টি বিশেষভাবে বিবেচনায় নিতে হবে। কোনোভাবেই যেন এসব পদক্ষেপের কারণে দরিদ্র রোগীদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি না হয় তাও নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

আয়ের অর্থ হাসপাতালের উন্নয়নে ব্যয় করা যাবে

হাসপাতালে আদায় করা ফি থেকে একটি অংশ অর্থ বিভাগের সম্মতি নিয়ে হাসপাতালের সেবার মানোন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণে ব্যয় যাবে। একই সঙ্গে ওষুধ ও চিকিৎসা সামগ্রীর মজুত, রাজস্ব আহরণ এবং সামগ্রিক আর্থিক ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত তথ্য-প্রযুক্তিভিত্তিক ব্যবস্থা জোরদার করতেও বলা হয়েছে। এর মাধ্যমে হাসপাতালের আয়-ব্যয়, ওষুধের মজুত এবং আর্থিক কার্যক্রমের ওপর আরও কার্যকর নজরদারি প্রতিষ্ঠা হবে।


পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status