|
বরিশালে সেনাবাহিনীর মহড়ায় পেশাদারিত্বের প্রশংসা করেলেন প্রধানমন্ত্রী
কাজী শামীম
|
![]() বরিশালে সেনাবাহিনীর মহড়ায় পেশাদারিত্বের প্রশংসা করেলেন প্রধানমন্ত্রী সোমবার (১৩ জুলাই) বরিশাল জেলার রহমতপুরে আয়োজিত এ প্রশিক্ষণ পরিদর্শনের মাধ্যমে তিনি সেনাবাহিনীর পেশাগত দক্ষতা, অভিযানিক প্রস্তুতি এবং আধুনিক যুদ্ধকৌশল প্রয়োগের বিভিন্ন দিক ঘুরে দেখেন। প্রধানমন্ত্রী প্রশিক্ষণ এলাকায় পৌঁছালে তাঁকে স্বাগত জানান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, এসবিপি, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি এবং ৭ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও বরিশাল এরিয়ার এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল এম খায়ের উদ্দীন, এসজিপি, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি। পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী সেনাসদস্যদের যুদ্ধক্ষেত্রে অবস্থান গ্রহণ, রণকৌশলের বাস্তব প্রয়োগ, মৌখিক আদেশ প্রদান, দেশীয়ভাবে উদ্ভাবিত বিভিন্ন সমরাস্ত্র প্রযুক্তির ব্যবহার এবং বাস্তবধর্মী প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। প্রশিক্ষণের বিভিন্ন ধাপ ঘুরে দেখে তিনি সেনাসদস্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা ও দক্ষতার প্রশংসা করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী চলমান প্রশিক্ষণের মান ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অভিযানিক প্রস্তুতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সবসময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। দেশের মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস ধরে রাখতে সেনাবাহিনীকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা ও আধুনিক প্রশিক্ষণের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে। সেনাসদস্যদের উদ্দেশে দেওয়া দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আরও বলেন, পরিবর্তিত বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা অর্জনের বিকল্প নেই। তিনি ভবিষ্যতের যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সেনাবাহিনীকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি ধরে রাখার আহ্বান জানান এবং বাহিনীর উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন। পরিদর্শনকালে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দীন স্বপন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, পিএসসি, জি, সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বেসামরিক প্রশাসনের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। প্রশিক্ষণ পরিদর্শনের মাধ্যমে সেনাবাহিনীর পেশাগত সক্ষমতা বৃদ্ধি, আধুনিক যুদ্ধপ্রস্তুতি এবং প্রযুক্তিনির্ভর সামরিক সক্ষমতা উন্নয়নে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
