ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
সোমবার ১৩ জুলাই ২০২৬ ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩
গাইবান্ধায় রাম বিগ্রহ নির্মাণের উদ্যোক্তা হরিদাস ৪ দিনের রিমান্ডে
নতুন সময় প্রতিবেদক
প্রকাশ: Monday, 13 July, 2026, 5:46 PM

গাইবান্ধায় রাম বিগ্রহ নির্মাণের উদ্যোক্তা হরিদাস ৪ দিনের রিমান্ডে

গাইবান্ধায় রাম বিগ্রহ নির্মাণের উদ্যোক্তা হরিদাস ৪ দিনের রিমান্ডে

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে রাম বিগ্রহ নির্মাণের উদ্যোক্তা হরিদাস চন্দ্র তরণী দাসকে অর্থপাচার মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চার দিনের রিমান্ড দিয়েছে আদালত।

তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রিপন হোসেন রিমান্ডের আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কবীর হোসেন রিমান্ডের তথ্য নিশ্চিত করেন।

৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকা অর্থপাচারের অভিযোগে অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিটের উপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম রোববার উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন।

মামলার পর রোববার (১৩ জুলাই) রাত সাড়ে ১২টার দিকে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নের মধ্য রামচন্দ্রপুর গ্রামের রাধা গোবিন্দ ও কালী মন্দির এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ।

গ্রেপ্তার হরিদাস চন্দ্র তরণী দাস মধ্য রামচন্দ্রপুর গ্রামের গোপীনাথ চন্দ্র দাসের ছেলে।

সোমবার তাকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন সিআইডি পুলিশের পরিদর্শক কে এম রাকিবুল হুদা।

রাষ্ট্রপক্ষে কবীর হোসেন রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। হরিদাস চন্দ্র তরণীর পক্ষে তার আইনজীবী শ্যামল কুমার রায় রিমান্ড বাতিল করে জামিনের জন্য প্রার্থনা করেন।

উভয়পক্ষের শুনানি নিয়ে আদালত তার চার দিনের রিমান্ডের আদেশ দেয়।

রিমান্ডের আবেদনে বলা হয়, প্রাথমিক তদন্তে তরণীর মামলার ঘটনায় জড়িত থাকার তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। সার্বিক অনুসন্ধানে সংগৃহীত তথ্যপ্রমাণ, সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদ, ব্যাংক হিসাব পর্যালোচনায় ও অন্যান্য তথ্য বিশ্লেষণে আসামির বিরুদ্ধে পরস্পর যোগসাজশে দেশি-বিদেশি মুদ্রা পাচার করার অপরাধের সত্যতা প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হচ্ছে।

তার নামে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব ও এমএফএস হিসাবে বিপুল পরিমাণ টাকা লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। ওই অর্থের উৎস কারা, ওই অর্থ কারা জমা দিচ্ছে–তাদের পরিচয় শনাক্ত করা, গ্রেপ্তার করাসহ অপরাধী চক্র শনাক্ত করার জন্য আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যাবে। যা মামলার তদন্তে সহায়ক হবে। মামলার তদন্ত অব্যাহত। তদন্ত সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখা একান্ত প্রয়োজন। আসামি জামিনে মুক্তি পেলে মামলার তদন্তে ব্যাঘাত ঘটবে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার সাত দিনের রিমান্ড প্রয়োজন।

মামলায় অভিযোগ বলা হয়, হরিদাস চন্দ্র তরণী দাস গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর আলোচিত শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ কালি মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা। অনুসন্ধানের অভিযোগ পর্যালোচনায় জানা যায়,

হরিদাস চন্দ্র তরণী একজন সাধারণ ব্যবসায়ী এবং তিনি ব্যবসার আড়ালে দেশি-বিদেশি মুদ্রা পাচারসহ হুন্ডি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।

তার নামে থাকা ৯ ব্যাংক হিসাব ও অন্যান্য কাগপপত্র বিশ্লেষণে জানা যায়, তার ব্যাংক হিসাবে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বিভিন্ন তারিখ ও সময়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ব্যবসা বহির্ভূত নগদ অর্থ জমা হয়েছে।

হরিদাস চন্দ্র তরণীসহ অজ্ঞাতনামা দুই থেকে তিনজনের একটি সংঘবদ্ধ চক্র হুন্ডি তথা দেশি-বিদেশি মুদ্রা পাচার করত। ৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকা অপরাধলব্ধ অর্থ অর্জনসহ অর্জিত টাকা স্থানান্তর, হস্তান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে অপরাধলব্ধ আয়ের অবৈধ প্রকৃতি, উৎস, অবস্থান, মালিকানা গোপন ও ছদ্মাবৃত্ত করেছে।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status