|
আলফাডাঙ্গায় পানাইল স. প্রা. বিদ্যালয়ে আওয়ামী দোসরদের সদস্যপদের প্রার্থিতা বাতিলের দাবিতে ইউএনও'র নিকট লিখিত অভিযোগ
আলমগীর কবির, আলফাডাঙ্গা
|
![]() আলফাডাঙ্গায় পানাইল স. প্রা. বিদ্যালয়ে আওয়ামী দোসরদের সদস্যপদের প্রার্থিতা বাতিলের দাবিতে ইউএনও'র নিকট লিখিত অভিযোগ অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য পদের জন্য আবেদনকারী দুই প্রার্থীর বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ততার অভিযোগ তোলা হয়েছে। বিদ্যালয়ের মহিলা বিদ্যোৎসাহী সদস্য পদের জন্য আবেদনকারী মারিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ২০২২ সালে তৎকালীন ফরিদপুর-১ আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য মনজুর হোসেনের ডিও লেটারের মাধ্যমে মহিলা বিদ্যোৎসাহী সদস্য হয়েছিলেন। তিনি ওই সংসদ সদস্যের ছোট ভাইয়ের সহধর্মিণী এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগের সক্রিয় কর্মী হিসেবে পরিচিত। এছাড়া, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা/কর্মচারী কোটায় সদস্য পদের জন্য আবেদনকারী সৈয়দ ইবাদুল ইসলামের বিরুদ্ধেও একই অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে। অভিযোগকারীদের ভাষ্যমতে, সৈয়দ ইবাদুল ইসলাম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনার ছবি সম্বলিত বিভিন্ন পোস্টের মাধ্যমে দলীয় রাজনৈতিক পরিচয় স্পষ্ট করেছেন এবং এলাকায় তিনি আওয়ামী লীগের একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে পরিচিত। এলাকাবাসীর পক্ষে স্থানীয় একাধিক বিএনপির কর্মী ও সমর্থক সাক্ষরিত আবেদন গত ২৩ ও ২৫ জুন-২০২৬ তারিখে পৃথক দুটি লিখিত অভিযোগ ইউএনও’র নিকট জমা দিয়েছেন। অভিযোগে বলা হয়, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সরকার পরিবর্তনের পর সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সহযোগীদের পুনরায় স্থান দেওয়া হলে এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ তৈরির আশঙ্কা রয়েছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে বিতর্কিত ব্যক্তিদের কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত না করার দাবি জানান তারা। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে আওয়ামী রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখা বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত জরুরি। সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনের লক্ষ্যে বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে সময়োপযোগী ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কমিটির সভাপতি রিফাত নূর মৌসুমী বলেন, এ সংক্রান্ত একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। আপাতত কমিটির কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে আগামী শিক্ষা কমিটির মিটিং এ যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার(ভারপ্রাপ্ত) মো: সারোয়ার হোসেন বলেন, বিষয় টি আমরা উপজেলা নির্বাহী অফিসার কে অবগত করেছি, তিনি বলেছেন আগামী শিক্ষা কমিটির মিটিং এ বিষয়ে আলোচনা সাপেক্ষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
