|
সংবাদ প্রকাশের পর কোষাগারে ফেরত গেল ভোটকেন্দ্র মেরামতের ২ লাখ টাকা
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
![]() সংবাদ প্রকাশের পর কোষাগারে ফেরত গেল ভোটকেন্দ্র মেরামতের ২ লাখ টাকা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে উপজেলার ২৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভোটকেন্দ্র মেরামতের জন্য ২০ লাখ ৬০ হাজার ১ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। এর মধ্যে ভোটহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য দুই দফায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং দক্ষিণ চরভূরুঙ্গামারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ১ লাখ টাকা বরাদ্দ ছিল। অভিযোগ রয়েছে, বিদ্যালয় দুটি মেরামত না করেই ওই অর্থ উত্তোলন করা হয়। পরে সংবাদ প্রকাশের পর গত ৬ জুলাই জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা স্বপন কুমার রায় চৌধুরীর উপস্থিতিতে ২ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়। এদিকে ২০২৫–২৬ অর্থবছরে পিইডিপি-৪ ও স্লিপ প্রকল্পের আওতায় উপজেলার ১১২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ১৭ লাখ ১০ হাজার টাকা বরাদ্দ আসে। অভিযোগ রয়েছে, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হিসাবরক্ষণ অফিস থেকে পুরো অর্থ উত্তোলনের পর প্রথমে মাত্র ২৩টি বিদ্যালয়কে ভ্যাট কেটে ১২ হাজার টাকা করে চেক দেন। বাকি ৮৯টি বিদ্যালয় বরাদ্দের অর্থ থেকে বঞ্চিত থাকে। এ-সংক্রান্ত সংবাদ গত ১ ও ২ জুলাই বিভিন্ন জাতীয় ও আঞ্চলিক পত্রিকায় প্রকাশিত হলে বিষয়টি নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগে তৎপরতা শুরু হয়। পরে গত ৫ জুলাই ডেকে পাঠানো হয় বঞ্চিত ৮৯টি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের। সেদিন তাঁদের মধ্যে প্রায় ১০ লাখ ৬৮ হাজার টাকার চেক বিতরণ করা হয়। ভূরুঙ্গামারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আল-মাহমুদ বলেন, আমরা গত ৫ জুলাই স্লিপ প্রকল্পের টাকার চেক পেয়েছি। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আখতারুল ইসলাম বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে পরামর্শ করে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার উপস্থিতিতে ভোটকেন্দ্র মেরামতের জন্য উত্তোলন করা অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা স্বপন কুমার রায় চৌধুরী বলেন, স্লিপ প্রকল্পের বরাদ্দ বিতরণ এবং ভোটকেন্দ্র মেরামতের জন্য উত্তোলন করা ২ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার বিষয়টি সত্য। স্থানীয়দের ভাষ্য, সংবাদ প্রকাশের পরই আটকে থাকা অর্থ বিতরণ এবং ভোটকেন্দ্র মেরামতের বরাদ্দ ফেরত দেওয়ার ঘটনা সরকারি অর্থ ব্যবস্থাপনা ও জবাবদিহির প্রশ্নে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এ ঘটনায় দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের আরও তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
