|
শ্রীপুরে শ্রমিক মৃত্যুর জেরে
মিলাদ মাহফিল ঘিরে ফের উত্তেজনা, সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
![]() মিলাদ মাহফিল ঘিরে ফের উত্তেজনা, সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ শনিবার (২৭ জুন) সকাল ৯টার দিকে শ্রীপুর উপজেলার টেপিরবাড়ী এলাকার কালার অ্যান্ড কোং লিমিটেড কারখানার সামনে এ ঘটনা ঘটে। লিজা আক্তারের আত্মার মাগফিরাত কামনায় আয়োজিত মিলাদ মাহফিলে অংশ নিতে শ্রমিকরা জড়ো হলে একপর্যায়ে সেখানে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শী ও শ্রমিকদের অভিযোগ, মিলাদে অংশ নিতে আসা শ্রমিকদের সঙ্গে কিছু বহিরাগত ব্যক্তি যোগ দিয়ে কারখানার ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ সময় শিল্প পুলিশ শ্রমিকদের সরিয়ে দিতে লাঠিচার্জ করে এবং পরে তিন রাউন্ড সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এতে ঘটনাস্থলে ছত্রভঙ্গ হয়ে যান শ্রমিকরা। শ্রমিকদের দাবি, পুলিশি অভিযানের সময় কয়েকজন আহত হয়েছেন। তাদের অভিযোগ, সাম্প্রতিক সহিংসতা ও অস্থিরতায় প্রকৃত শ্রমিকদের তুলনায় বহিরাগতদের সম্পৃক্ততাই বেশি ছিল। এ বিষয়ে প্রশাসনের নিরপেক্ষ তদন্তেরও দাবি জানিয়েছেন তারা। শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীনুর আলম ঘণমাধ্যমকে জানান, শ্রমিকদের উপস্থিতির কারণে সাময়িক উত্তেজনা তৈরি হলেও শিল্প পুলিশ ও থানা পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ-২ গাজীপুরের পুলিশ সুপার মো. আমজাদ হোসাইন জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তিন রাউন্ড সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। পাশাপাশি ঘটনাস্থলে বহিরাগতদের উপস্থিতির অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। উল্লেখ্য, গত বুধবার রাতে কালার অ্যান্ড কোং লিমিটেড কারখানায় কর্মরত অবস্থায় অসুস্থ হয়ে মারা যান গর্ভবতী শ্রমিক লিজা আক্তার (৩৬)। তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার শ্রমিকদের বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ এবং অন্তত পাঁচটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় দায়ের হওয়া তিনটি মামলায় মোট ১,১০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনার পর থেকে পুরো শিল্পাঞ্চলে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
