|
নাঙ্গলকোটে বোনের হাতে ভাই খুন
ত্বোহা হাসান ভূঁইয়া স্বাধীন, নাঙ্গলকোট
|
![]() নাঙ্গলকোটে বোনের হাতে ভাই খুন নিহত ইব্রাহিম হোসেনের মেয়ে আফরোজ আক্তার বলেন, আমার ফুফু নাছিমা আক্তার, ফুফাত ভাই অজিউল্লাহ ও আমার ফুফা কোব্বাত আলী জোরপূর্বক আমাদের বাঁশ কেটে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ নিয়ে আমার বাবা তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে ফুফু, ফুফাতো ভাই ও ফুফা আমার বাবার তল পেট ও বুকেসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে উপর্যুপরি আঘাত করে। একপর্যায়ে আমার বাবা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তারা আমাদেরকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করার জন্য প্রতিনিয়ত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে আসছিলেন। তাদের অত্যাচারে আমরা নানার বাড়ি দৌলখাঁড় ইউনিয়নের আইটপাড়ায় অবস্থান করি। গত এক বছর থেকে আমরা বাড়িতে অবস্থান করলেই আমার ফুফু, ফুফাতো ভাই ও ফুফা আমাদের আবারো শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতে থাকেন। গত এক মাস আগেও তারা আমার মা জান্নাতুল ফেরদৌসকে মারধর করে ঘরে তালা দিয়ে দেয়। পরে ঘরের টিন কেটে আমার মাকে বের করা হয়। তারা আমাদের চলাচলের রাস্তার পাশে টয়লেট বসানোর কারণে ময়লা ও দুর্গন্ধময় পরিবেশে আমাদের চলাচল করতে হয়। আমি আমার বাবার হত্যাকারীদের বিচার চাই। এলাকাবাসী জানান, ১৯৯২ সালে নছিমা আক্তার তার দেবর পেয়ার আহম্মেদকে বিষ খাইয়ে হত্যা করেন। পরে এ ঘটনায় থানায় মামলা হলে নাছিমা আক্তারকে থানা পুলিশ জেলেহাজতে পাঠায়। নাছিমা আক্তার সমাজের প্রভাবশালী ও খারাপ লোকদের হাত করে প্রতিনিয়ত পরিবারটিতে নির্যাতন করে আসছিলেন। আমরা এই হত্যাকাণ্ডের সঠিক বিচার দাবি করছি। নাঙ্গলকোট থানা অফিসার ইনচার্জ আরিফুর রহমান বলেন, লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নাছিমা আক্তারকে থানায় আনা হয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
