|
পরিবেশ রক্ষায় দীঘিনালা জোনের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ
মোঃ মোবারক হোসেন, খাগড়াছড়ি
|
![]() পরিবেশ রক্ষায় দীঘিনালা জোনের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ রবিবার (২১জুন) বিকেল ৩টায় উপজেলার কবাখালী ইউনিয়নের তারাবনিয়া নিউজিল্যান্ড পাড়ায় আয়োজিত এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন দীঘিনালা জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আল-আমিন, পিএসসি। উদ্বোধন শেষে তিনি স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করেন এবং পরিবেশ সংরক্ষণের বার্তা ছড়িয়ে দিতে নিজ হাতে একটি চারা রোপণ করেন। অনুষ্ঠানে কবাখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নলেজ চাকমাসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও এলাকার বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আল-আমিন বলেন, “একটি গাছ শুধু পরিবেশের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে না, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ পৃথিবী গড়ার ভিত্তিও তৈরি করে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি কমাতে আমাদের সবাইকে বেশি বেশি গাছ লাগাতে হবে। আজ রোপণ করা প্রতিটি চারা আগামী দিনের সম্পদ হিসেবে কাজ করবে। কবাখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নলেজ চাকমা বলেন, দীঘিনালা জোনের এ উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। বৃক্ষরোপণ পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের অর্থনৈতিক উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ফলজ ও ঔষধি গাছ ভবিষ্যতে পারিবারিক চাহিদা পূরণের পাশাপাশি অতিরিক্ত আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করবে। কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পাহাড়ি অঞ্চলে বনজ সম্পদ সংরক্ষণ ও পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত সময়োপযোগী। তারা বিতরণ করা চারাগুলোর যথাযথ পরিচর্যার মাধ্যমে সেগুলো বড় করে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তারাবনিয়া এলাকার বাসিন্দা মঙ্গল চাকমা বলেন, অনেক সময় গাছের গুরুত্ব বুঝলেও চারা সংগ্রহ করা সম্ভব হয় না। বিনামূল্যে চারা পেয়ে আমরা আনন্দিত। এগুলো বড় হলে পরিবেশের উপকারের পাশাপাশি আমাদেরও কাজে আসবে। স্থানীয় গৃহিণী সুলেখা চাকমা বলেন, ফলজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ একটি মহৎ উদ্যোগ। এতে পরিবেশ সবুজ হবে, একই সঙ্গে পরিবারেরও উপকার হবে। এলাকাবাসীর মতে, পরিবেশ সংরক্ষণ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে দীঘিনালা জোনের এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে পাহাড়ি অঞ্চলে সবুজায়নের পরিধি আরও বিস্তৃত হবে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
