|
জীবন শুরু হয় চল্লিশের পর: রাইমার উপলব্ধি
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() ছবি: সংগৃহীত সাতচল্লিশ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী বলেন সত্যি বলতে এখন অনেক বেশি স্বাধীন লাগে নিজেকে। মাঝে জীবনে অনেক কিছুই দেখা হয়ে গিয়েছে। এখন তো মনে হয়, ২০ বা ৩০ এর কোটায় জীবন সেভাবে ছন্দে ছিল না। তবে যে শিক্ষাগুলো পেয়েছি তাতে ৪০ এর পরে জীবন অনেক সহজ হয়েছে। আর সিঙ্গল হওয়ার সুবাদে মুক্ত পাখির মত জীবনযাপন করতে পারি। টলিউডে এক যুগেরও বেশ পার করে ফেলেছেন মহানায়িকা সুচিত্রা সেনের নাতনি ও অভিনেত্রী মুনমুন সেনের মেয়ে রাইমা সেন। রাইমাকে বাংলা সিনেমার দর্শকদের কাছে পরিচিত করে তোলেন প্রয়াত পরিচালক ঋতুপর্ণ ঘোষ। তবে কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়ের সিনেমাতেও রাইমা কাজ করছেন। এই প্রথম তিনি নির্মাতা জুটি নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে প্রথমবার কাজ কেরছেন ফুল পিসি ও এডওয়ার্ড সিনেমায়। সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছে মে মাসের ২৯ তারিখে।রাইমা কাজ করেন বেছে বেছে। এর কারণ ব্যাখ্যা করে বলেন, তিনি নতুনত্ব খোঁজেন। একই ধরনের গল্প বা চরিত্রের প্রস্তাব এলে কাজ করতে চাই না। এখন কিছু করলে ইন্টারেস্টিং কিছু করতে চাই। মানে এমন কোনো চরিত্র, যে ভাবে দর্শক আগে আমাকে দেখেননি। না হলে কাজ করে যাওয়ার মানে নেই। তাই এমন অনেক ফেইজ গিয়েছে, যখন লম্বা সময় কোনো কাজ করিনি। অভিনয় শিল্পী হিসেবে যাতে নিজে কিছু শিখি, এখন নতুন কিছু করার মাঝে সেটাকেই প্রাধান্য দিই। মানে ধরুন কমেডি বা গ্যাংস্টার কিংবা ফিল্মি পুলিশের চরিত্র। আউট অব দ্য বক্স কোনো চরিত্র। পরিবারিক পরিচয়ের সুবাদে প্রত্যাশার চাপ রাইমা কীভাবে সামলেছিলেন জানতে চাইলে বলেন, তিনি যখন ক্যারিয়ার শুরু করেন, অনেকের চাওয়া ছিল তার কাছ থেকে সুচিত্রা সেনের মত কাজ আসবে। সেটা তো সম্ভব নয়। তার নাতনি বলেই প্রথম সিনেমা থেকেই দুরন্ত অভিনয় করব, এই ভাবনাটা তো অবাস্তব। তখন অনেক ছোটো ছিলাম। সেটা চাপ তো তৈরি করতই। তবে এখন বিষয়টা আমি ব্লেসিং হিসেবেই দেখি।। রাইমা জানিয়েছেন তিনি নিয়মিত অভিনয়ের কর্মশালায় অংশ নেন। এছাড়া কাজের ফাঁকে বই পড়েন। রাইমা বলেন, বিশেষ করে গ্রেট অভিনেতাদের অটোবায়োগ্রাফি। এই মুহূর্তে অ্যান্টনি হপকিন্সের অটোবায়োগ্রাফি পড়ছি। ভালো সিনেমা দেখি। নিজেকে আপডেটেড রাখা দরকার, তবেই রেলেভ্যান্ট থাকা যাবে। যে অভিনয় প্যাটার্নে আমরা ক্যারিয়ার শুরু করেছিলাম সেগুলো এখন সম্পূর্ণ বদলে গিয়েছে। তবে অভিনেত্রী মানেই যে শুধু সিনেমার জগতে ডুবে রয়েছি, সিদ্ধ খাবার খাচ্ছি, তেমনটা নয়। আর পাঁচজনের মত বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা মারতে, ঘুরতে যেতে, পার্টি করতে পছন্দ করি। মাঝে–মধ্যেই আমি বন্ধুদের সঙ্গে বেরিয়ে রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে ফুচকা খাই। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
