|
নিম্নমানের ইটের খোয়া ব্যবহারের অভিযোগে ফুলবাড়ীতে রাস্তার কাজ বন্ধ
মোঃ বদরুজ্জামান বিপ্লব, ফুলবাড়ী
|
![]() নিম্নমানের ইটের খোয়া ব্যবহারের অভিযোগে ফুলবাড়ীতে রাস্তার কাজ বন্ধ উপজেলা প্রকৌশল দপ্তর সূত্রে জানা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের পল্লী সড়ক ও কালভার্ট মেরামত (জিওবিএম) কর্মসূচির আওতায় বালারহাট বাজার থেকে ডিএস দাখিল মাদ্রাসাগামী সড়কের ২২০ মিটার এবং নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন সড়কের ২০০ মিটার অংশ সংস্কারের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়। দীর্ঘদিন পর সড়ক দুটির সংস্কার কাজ শুরু হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, সংস্কার কাজে নির্ধারিত মানের পরিবর্তে নিম্নমানের ইটের খোয়া ব্যবহার করা হচ্ছিল। এতে সড়কের স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, নিম্নমানের উপকরণ দিয়ে কাজ সম্পন্ন হলে অল্প সময়ের মধ্যেই সড়কগুলো আবারও ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং জনদুর্ভোগ বাড়বে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, “অনেক প্রত্যাশা নিয়ে রাস্তার কাজ শুরু হয়েছে। কিন্তু নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করলে কাজের সুফল দীর্ঘস্থায়ী হবে না। আমরা চাই সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করে মানসম্মতভাবে কাজ সম্পন্ন করা হোক।” নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক চেয়ারম্যান মোসাব্বের আলী মুসা বলেন, “বালারহাট বাজার এলাকার দুটি রাস্তার সংস্কার কাজে নিম্নমানের মালামাল ব্যবহার করা হচ্ছিল। এভাবে কাজ চলতে দেওয়া যায় না। জনগণের স্বার্থে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় কাজটি সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে।” অভিযোগের পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন উপজেলা প্রকৌশল দপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী রাশেদুল ইসলাম। তিনি বলেন, “কাজে ব্যবহৃত কিছু মালামালের মান নিয়ে অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিম্নমানের খোয়া অপসারণ করে নির্ধারিত মানের উপকরণ ব্যবহার করতে হবে। বিষয়টি সমাধান না হওয়া পর্যন্ত কাজ বন্ধ থাকবে। এদিকে, বালারহাট বাজার সংলগ্ন সড়ক দুটির সংস্কার কাজ যেন কোনো ধরনের অনিয়ম ছাড়াই শতভাগ মান বজায় রেখে সম্পন্ন হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কঠোর নজরদারি ও কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
