ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
সোমবার ২৫ মে ২০২৬ ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
আজকের দিনে আয়লা লন্ডভন্ড করে দিয়েছিল সাতক্ষীরার উপকূল
ইয়ারব হোসেন, সাতক্ষীরা
প্রকাশ: Monday, 25 May, 2026, 3:35 PM

আজকের দিনে   আয়লা লন্ডভন্ড করে দিয়েছিল সাতক্ষীরার উপকূল

আজকের দিনে আয়লা লন্ডভন্ড করে দিয়েছিল সাতক্ষীরার উপকূল

আজ ভয়াল ২৫ মে। ২০০৯ সালের এই দিনে প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় আইলার আঘাতে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় সাতক্ষীরাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিস্তীর্ণ উপকূলীয় জনপদ। ১৭ বছর পেরিয়ে গেলেও স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেনি শ্যামনগর, আশাশুনি, খুলনার কয়রা ও দাকোপ এলাকার লাখ লাখ মানুষ। 

আজও সুপেয় পানি, টেকসই বেড়িবাঁধ, চিকিৎসা, কর্মসংস্থান ও নিরাপদ বাসস্থানের সংকটে মানবেতর জীবন কাটছে উপকূলবাসীর।

একসময় সবুজ বনানী, ধান, পাট ও শাক-সবজিতে ভরপুর ছিল সাতক্ষীরার গাবুরা, পদ্মপুকুর ও প্রতাপনগর ইউনিয়ন। এখন সেখানে চোখে পড়ে শুধু লবণাক্ত পানির ঘের আর অনাবাদি জমি। আইলার পর লবণাক্ততা এতটাই বেড়েছে যে অধিকাংশ জমি কৃষিকাজের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। 

ধীরে ধীরে বৃক্ষশূন্য হয়ে যাচ্ছে পুরো অঞ্চল।স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, ২০০৯ সালের ২৫ মে সকালে আবহাওয়া স্বাভাবিকই ছিল। গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছিল। কেউ বুঝতে পারেননি দুপুরের পর ভয়াবহ জলোচ্ছ্বাস ধেয়ে আসবে। মুহূর্তের মধ্যে ১৪ থেকে ১৫ ফুট উচ্চতার লোনাপানির ঢেউ ভাসিয়ে নিয়ে যায় ঘরবাড়ি, গবাদিপশু, ফসল ও মানুষের জীবন।

গাবুরার বাসিন্দা এক নারী বলেন, আইলার পরে আমাদের অনেক কষ্ট। গরু-ছাগল, জমি-জমা কিছুই আর নেই।

শ্যামনগর উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, আইলার আঘাতে শুধু সাতক্ষীরাতেই ৭৩ জন নারী, পুরুষ ও শিশু নিহত হন। আহত হন দুই শতাধিক মানুষ। 

তাৎক্ষণিকভাবে প্রায় ৫ লাখ ৯৫ হাজার মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়ে। শ্যামনগর উপজেলায় একাই ক্ষতিগ্রস্ত হয় ২ লাখ ৪৩ হাজারের বেশি মানুষ। বিধ্বস্ত হয় ১ লাখ ৪২ হাজারের বেশি বসতঘর, শত শত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় স্থাপনা ও সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা। প্রায় ১১৭ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়।

সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আশরাফুল আলম বলেন, ‘জাইকার অর্থায়নে কিছু এলাকায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ২৭ কিলোমিটার বাঁধের কাজ চলমান রয়েছে। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে আরও ১৯৬ কিলোমিটার টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা সম্ভব হলে গাবুরাসহ উপকূলীয় এলাকা অনেকটা সুরক্ষিত হবে।’

তবে শ্যামনগর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপকূলীয় সংকট নিরসনে চলমান কার্যক্রম

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status