|
ময়মনসিংহে বসতবাড়িতে সশস্ত্র হামলা ও নগদ অর্থ লুটের অভিযোগ, থানায় মামলা
মোঃ মাইন উদ্দিন উজ্জ্বল, ময়মনসিংহ
|
![]() ময়মনসিংহে বসতবাড়িতে সশস্ত্র হামলা ও নগদ অর্থ লুটের অভিযোগ, থানায় মামলা অভিযোগের প্রেক্ষিতে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে চলাচলের রাস্তা ও পারিবারিক বিষয় নিয়ে স্থানীয় মো. ডালিম মিয়া (৩৫), সাগর মিয়া (২৪), মো. শহিদ মিয়া (৪৫) ও মো. রোকন উদ্দিনসহ (৫৫) কয়েকজনের সাথে রফিকুল ইসলামের বিরোধ চলছিল। ঘটনার দিন সকাল আনুমানিক সকাল সাড়ে ৬ টায় বিবাদীরা দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে রফিকুল ইসলামের বাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। এতে বাধা দিলে বিবাদীরা রফিকুল ইসলামের ছোট ভাই মো. মালেককে (৪০) হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ দেয়, যা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে কপালে লেগে তিনি গুরুতর আহত হন এবং রফিকুল ইসলামের চাচাতো ভাই মো. মামুন (৩০) এবং ছোট ভাইয়ের স্ত্রী মোসা. লাইলী বেগমকেও (৩৫) লোহার রড দিয়ে আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করে। এ সময় বসতবাড়িতে ভাংচুর চালানোর পাশাপাশি ড্রয়ারে থাকা মাছ বিক্রির নগদ ১ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে এজাহারে। অপর দিকে, একই ঘটনায় আহতদের বিবাদী করে সুফিয়া বেগমের এজাহারের ভিত্তিতে কোতোয়ালী থানায় একটি মামলা রুজু হয়। যার মামলা নং-৫৫, তাং-১৪/৫/২৬। যে মামলায় স্থানীয় ভাবে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে তদন্ত কর্মকর্তা আলী আকবর। আহতরা সাজানো মামলায় জেল হাজতে থাকলেও প্রকৃত ঘটনায় রুজুকৃত মামলার আসামীরা এখনো পুলিশের নাকের ডগায়, তবুও রয়েছে অধরা। রফিকুল ইসলাম জানান, আমরা আইনে প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আমাদের নামে দায়ের করা মিথ্যা সাজানো মামলায় দুইজন জেল হাজতে কারাভোগ করছে। অপরদিকে প্রকৃত ঘটনায় রুজুকৃত মামলার আসামী ডালিম গংরা বুক ফুলিয়ে পুলিশের নাকের ডগায় ঘুরছে। আহতদের দ্রত জামিন ও আমার বিবাদী পক্ষের আসামীদের দ্রত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবী জানাচ্ছি। স্থানীয়রা জানান, যারা মার খেয়ে আহত হয়েছে তারাই এখন জেল খাটছে। অপর দিকে ভিত্তিহীন মনগড়া, বানোয়াট তথ্যের ভিত্তিতে রুজুকৃত মামলার আসামী ডালিম গংরা পুলিশের ধরাছোঁয়ার বাইরে। প্রকৃত পক্ষে এ মামলায় কোতোয়ালী থানা পুলিশ বিতর্কিত হয়েছে। ডালিম গংদের দ্রত গ্রেফতার ও নিরপরাধ আসামীদের দ্রত জামিন দিয়ে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করবে বলে আইন শৃংখলার প্রতি দাবী জানাচ্ছি। ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: শিবিরুল ইসলাম জানান, বাদী রফিক ও তার দুই ভাই মালেক ও মামুন আহত হয়েছে। এ বিষয়ে একটি মামলা রুজু হয়েছে। মামলার আসামীদের দ্রæত গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
